• রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের মতো শান্তি চায় ভারতও!

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৩৬
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের মতো শান্তি চায় ভারতও!
আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ছবি : দ্য হিন্দু)

সংঘাতে কবলিত রাষ্ট্র আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শান্তি স্থাপন করতে চায় এশিয়ার হিন্দু রাষ্ট্র ভারতও! যার অংশ হিসেবে দেশটিতে একটি হানাহানি-মুক্ত স্থিতিশীল পরিবেশ গড়ে ওঠার উপরে জোর দিলেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রতিনিধির বক্তৃতায় কাতারের রাজধানী দোহায় শুরু হয়েছে আফগান শান্তি বৈঠক। আফগানিস্তান থেকে নিজেদের সমস্ত সেনা প্রত্যাহারের আগে সে দেশের সরকারের সঙ্গে তালিবান যোদ্ধাদের একটি শান্তিচুক্তি করাতে ট্রাম্প প্রশাসন বৈঠকটি ডেকেছে।

জয়শঙ্কর দিল্লি থেকে ভিডিওর মাধ্যমে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, হিংসা মুছে ফেলার পাশাপাশি আফগানিস্তানে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র কায়েম এবং সংখ্যালঘু ও মহিলাদের সুরক্ষা প্রতিষ্ঠা হবে। এমন শান্তিচুক্তির পক্ষে ভারত। শুধু প্রতিবেশী দেশ বলে নয়, আমাদের সঙ্গে আফগানদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ভাবে নিবিড়।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, আফগানিস্তানের চার শতাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পে নিয়োজিত ভারত। এই সব প্রকল্প শেষ করার জন্যও অনুকূল পরিস্থিতি প্রয়োজন। ভারত চায় আফগানিস্তানের জন্য শান্তি প্রক্রিয়া যেন তারাই নিয়ন্ত্রণ করে।

আরও পড়ুন : ইরান, রাশিয়া ও চীনের ভয়ঙ্কর সামরিক মহড়ার ঘোষণা, উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্লেষকদের মতে, এসব কথা বলে নয়াদিল্লি আসলে আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানের মৌরসিপাট্টার পথ বন্ধ করার নিশ্চয়তা চাইছে। কেননা তালিবান যোদ্ধারা আদতে পাকিস্তানের সৃষ্টি বলে দাবি ভারতের। আফগান সীমান্তবর্তী নিজেদের ভূখণ্ডে তাদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিয়ে সংগঠিত করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।

আরও পড়ুন : ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়ছেন নেতানিয়াহু!

শান্তিচুক্তিতে ক্ষমতাবান হওয়ার পরে আফগানিস্তানের সম্ভাব্য তালিবান অধ্যুষিত এলাকাগুলো পাকিস্তানি ও কাশ্মীরি যোদ্ধাদের আশ্রয়কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে, এমন দৃঢ় আশঙ্কা রয়েছে ভারতের। এ বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের কাছেও উদ্বেগ জানিয়ে রেখেছে নয়াদিল্লি।

আরও পড়ুন : ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক করায় বাহরাইনকে হুমকি ফিলিস্তিনের

মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব মাইক পম্পেও এবং তালিবানের সঙ্গে যোগাযোগকারী সাবেক নেতা নেতা জালমে খলিলজাদ অবশ্য দোহায় জানিয়েছেন, শান্তি বৈঠকের অন্যতম প্রধান যে শর্ত তালিবানকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা আছে আল-কায়দা ও অন্য সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়া যাবে না।

আরও পড়ুন : এবার ফ্রান্সকে ভয়ঙ্কর যুদ্ধের হুঁশিয়ারি তুরস্কের

যদিও কূটনীতিকদের অনেকের কথায়, দুর্ধর্ষ খুনে বাহিনী তালিবান রাতারাতি অস্ত্রশস্ত্র তুলে রেখে সভ্য হয়ে যাবে, এমন আশা করাটা বাতুলতা। আফগানিস্তানের শিশু ও মহিলাদের অধিকার রক্ষার দাবিতে সরব কয়েকটি সংগঠনকেও বৈঠকে আনা হয়েছে।

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড