• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

পাকিস্তানের সীমান্তই সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর, দাবি ভারতের

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০ আগস্ট ২০২০, ০৯:২৩
পাকিস্তানের সীমান্তই সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর, দাবি ভারতের
সীমান্তে মোতায়েন সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা (ছবি : দ্য হিন্দু)

সীমান্তে সন্ত্রাসবাদের জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করেছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত। একই সঙ্গে ১৯৯৩ সালে মুম্বাই বিস্ফোরণের মাস্টার মাইন্ড দাউদ ইব্রাহিমকে দেশটি এখনো পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রেখেছে বলেও অভিযোগ নয়াদিল্লির। ভারতের দাবি, পাকিস্তানের সীমান্তই সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আঁতুড়ঘর।

অস্ত্র ও মাদক বাণিজ্য এবং সন্ত্রাসবাদী বিভিন্ন গ্রুপকে পাকিস্তান অব্যাহতভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে বলে শুক্রবার (৭ আগস্ট) জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের (ইউএনএসসি) উচ্চ পর্যায়ের এক বিতর্কে এসব অভিযোগ করে ভারত।

পরামর্শ দিয়ে নয়াদিল্লি বলেছে, ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) মতো সংস্থার সঙ্গে জাতিসংঘের সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন, যা অর্থ পাচার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি নিবদ্ধ হলে তা কীভাবে ভালো ফল এনে দেয় তার উদাহরণ হিসেবে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে সম্মিলিত পদক্ষেপের সাফল্যের কথা তুলে ধরে ভারত।

দাউদ ইব্রাহিম ও তার ডি-কোম্পানি, লস্কর-ই-তৈয়বা ও জয়শ-ই-মোহাম্মদের মতো সন্ত্রাসী গ্রুপের হুমকি মোকাবিলায় একই রকম মনোনিবেশ মানবজাতির কল্যাণে কাজ করবে ভারতের বিবৃতিতে পরামর্শ দেওয়া হয়।

পাকিস্তান প্রসঙ্গে বিবৃতিতে ভারত বলছে, পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলগুলি থেকে সন্ত্রাসবাদকে উত্সাহিত করার জন্য রাষ্ট্রটিকে জবাবদিহি করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন : চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস, কানাডাতেও ঘাতক বাহিনী পাঠিয়েছেন সালমান

জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রস্তাবগুলি সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড মোকাবিলায় এবং সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন রোধ ও দমন করার ক্ষেত্রে সদস্য দেশের প্রাথমিক দায়িত্বকে পরিষ্কার করে দেয় বলে বিবৃতিতে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত।

আরও পড়ুন : ভুলে নিজেদের ড্রোন ভূপাতিত করল ইসরায়েল

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সন্ত্রাসবাদ আজ মানবজাতির সবচেয়ে মারাত্মক হুমকির মধ্যে একটি এবং এটি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে পার্থক্য করে না।

সন্ত্রাসবাদের জোরালোভাবে নিন্দা জানিয়ে নয়াদিল্লি বলেছে, সন্ত্রাসবাদের কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না এবং সন্ত্রাসবাদের মূল কারণ অনুসন্ধান করা খড়ের গর্তে একটি সুচ খোঁজার সমতুল্য।

আরও পড়ুন : সীমান্তে চীনের ১৫ হাজার সেনা, উদ্বিগ্ন ভারত

১৯৯৩ সালে মুম্বাইয়ে বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, একটি সংগঠিত অপরাধ চক্র ‘ডি-কোম্পানি’ একের পর এক বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ভয়াবহ সেই হামলার ফলে আড়াই শতাধিক নিরীহ লোকের প্রাণহানি ঘটে এবং কয়েক মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তির ক্ষতি হয়। বলা বাহুল্য, এই ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিও প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে অব্যাহতভাবে পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছে, সেখান থেকেই অস্ত্র পাচার ও মাদক ব্যবসায় অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি সংঘবদ্ধ অন্যান্য সন্ত্রাসবাদী সংগঠন, জাতিসংঘ যাদের নিষিদ্ধ করেছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অ্যবাহত রেখেছে।

আরও পড়ুন : চীনকে ধ্বংস করতে ভারতীয় সেনাদের যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ওই বিতর্কে ভারত দাউদ ইব্রাহিম ও তার ডি-কোম্পানি, লস্কর-ই-তৈয়বা এবং জয়শ-ই-মোহাম্মদের মতো নিষিদ্ধ ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধিসহ সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি মোকাবিলায় পাঁচটি পরামর্শ দিয়েছে।

আরও পড়ুন : তালিবান বন্দিদের মুক্তি দিতে চায় আফগান পার্লামেন্ট

সেখানে বলা হয়, এই বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য আর্থিক ও অর্থনৈতিক সম্পদের প্রশাসনিক কাঠামোর সক্ষমতা জোরদার করতে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) সুপারিশ বাস্তবায়ন করা সর্বাধিক অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801721978664

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড