• শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭  |   ৩৪ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

অযোধ্যায় মুসলিমদের দমনে কঠোর পুলিশি পাহারা

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৩১ জুলাই ২০২০, ১৫:২৩
অযোধ্যায় মুসলিমদের দমনে কঠোর পুলিশি পাহারা
অযোধ্যার বাবরি মসজিদ ও রাম মন্দির (ছবি : স্ক্রোল ইন)

ভারতের অযোধ্যার বিতর্কিত ভূমিতে আগামী সপ্তাহ থেকে মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এ সময় অঞ্চলটিতে যে কোনো বিশৃঙ্খলা এড়ানো ও স্থানীয় মুসলিমদের দমনে আশেপাশের সড়কগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গত কয়েক দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে গত বছর নভেম্বরে বাবরি মসজিদ-রাম জন্মভূমি নিয়ে করা ঐতিহাসিক অযোধ্যা মামলার রায় দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

রায়ে বিতর্কিত পৌনে ৩ একর ভূমি মন্দির নির্মাণের জন্য দেওয়া হয়, তবে মন্দির হবে একটি ট্রাস্টের অধীনে। আর মসজিদের জন্য কাছাকাছি অন্য স্থানে ৫ একর জমি দেবে সরকার।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর গত ফেব্রুয়ারিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মন্দির নির্মাণের জন্য ট্রাস্ট গঠনের ঘোষণা দেন।

আগামী ৫ অগাস্ট মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য মোদীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানায় ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

যদিও দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, মোদী সেখানে যাবেন কিনা তা চলমান করোনা ভাইরাস মহামারি পরিস্থিতি এবং সেখানকার নিরাপত্তা অবস্থার উপর নির্ভর করছে।

আরও পড়ুন : ইরানের বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভিডিও ভাইরাল

মোদী বলেন, উপস্থিত সবাইকে অবশই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যার যার কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য, ষোড়শ শতকে নির্মিত বাবরি মসজিদের ভূমি নিয়ে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে বিরোধ দীর্ঘ কয়েক যুগের। হিন্দুদের বিশ্বাস, রামচন্দ্রের জন্মভূমি অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের জায়গায় একটি রাম মন্দির ছিল।

আরও পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কখনো আত্মসমর্পণ করবে না ইরাক

১৯৯২ সালে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয়। মসজিদটি ভাঙা নিয়ে ওই বছর হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গায় ভারতজুড়ে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

নভেম্বরের রায়ের পর আবারও একই ধরণের দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হয়েছিল। তবে সে রকম কিছু ঘটেনি।

আরও পড়ুন : নেপাল থেকে ভারতে ঢুকছে জঙ্গিরা, সীমান্তে সতর্কতা

অযোধ্যায় মুসলমানদের সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের সদস্য সাকিব নূর বলেন, আমরা সেখানে হিন্দু মন্দির নির্মাণের রায় মেনে নিয়েছি। তাই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কোনো কারণ নেই।

উভয় পক্ষ শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় রাখার কথা বললেও অযোধ্যা কর্তৃপক্ষ কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ। এরই মধ্যে মন্দির নির্মাণের জায়গার আশেপাশের সড়কে পুলিশি পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে বড় ধরণের জনসমাগম এড়াতে সড়কগুলোতে ব্যারিকেডও বসানো হবে।

আরও পড়ুন : লিবিয়ায় যুদ্ধ সরঞ্জাম নিয়ে রুশ বিমানের অবতরণ

ভারত এবং ভারতের বাইরের অনেক হিন্দু মন্দির নির্মাণ তহবিলে অর্থ পাঠিয়েছেন। ২০২২ সাল নাগাদ মন্দির নির্মাণের কাজ শেষ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

jachai
nite
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
jachai

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড