• রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২০, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭  |   ৩১ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ইউরোপে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা 

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২০, ২৩:১৭
করোনা
ছবি : সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বাড়তে শুরু করেছে ইউরোপের বেশ কিছু দেশে। ফলে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গেছে বলে নতুন করে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লকডাউন শিথিল করার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই স্পেন, ফ্রান্স, জার্মানি, লুক্সেমবার্গ, রোমানিয়া ও পোল্যান্ডের মত দেশগুলোতে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে।

ফলে এসব দেশে আবারও নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ শুরু হয়েছে। যুক্তরাজ্য, স্পেন থেকে ছুটি কাটিয়ে ফেরা লোকদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের বিধান করা হয়েছে।

ইংল্যান্ডে কেউ কোভিড পজিটিভ হলে বা সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দিলে তাকে ৭ দিনের পরিবর্তে ১০ দিনের আইসোলেশনে থাকতে হবে বলে নতুন করে নিয়ম করা হয়েছে। ইউরোপের সব দেশই চাইছে যেকোন উপায়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে।

তবে অধ্যাপক পল হান্টার নামে একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, এটাকে দ্বিতীয় ঢেউ নয় বরং পুনরুত্থান বলা যায়। আসলে করোনাভাইরাস বিস্তার থেমে যায়নি, লকডাউনের ফলে স্তিমিত হয়েছিল। লকডাউন শিথিল হবার ফলে তা আবারও বেড়ে যাচ্ছে।

এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক কর্মকর্তা বলছেন, ইউরোপে নতুন করে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পেছনে তরুণ-যুবকদের ভূমিকা থাকতে পারে। সংস্থাটির ইউরোপ অঞ্চলের পরিচালক ডা. হ্যান্স ক্লুগ বলেন, তরুণ-যুবকদের মধ্যে সংক্রমণ বাড়ছে। ইউরোপে হঠাৎ করেই সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণ হয়তো এটাই।

ডা. ক্লুগ বলেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সরকারের উচিত এখনই তরুণ জনগোষ্ঠীকে সঠিক বার্তা দিয়ে সতর্ক করা। তিনি বলেন, একের পর এক বিভিন্ন দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে নতুন করে সংক্রমণ বাড়ছে। আমরা বুঝতে পারছি এটি হচ্ছে মানুষের আচরণে পরিবর্তনের কারণে।

কয়েকটি দেশের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে কম-বয়সীরা অধিক মাত্রায় সংক্রমিত হচ্ছে। সুতরাং তাদেরকে কীভাবে সাবধান করা যায় তা নিয়ে বিশেষ ভাবনা-চিন্তার প্রয়োজন আছে বলে উল্লেখ করেছেন ডা. ক্লুগ।

তিনি বলেন, দুই মেয়ের বাবা হিসেবে তিনি নিজে বুঝতে পারছেন যে, তরুণরা এই গ্রীষ্মকাল ঘরে বসে কাটিয়ে দিতে চাইছে না। কিন্তু তাদের যেমন নিজেদের ব্যাপারে দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি তাদের বাবা-মা, দাদা-দাদী এবং পুরো সমাজের প্রতিও দায়িত্ব রয়েছে।

তার মতে, এ বিষয়ে কীভাবে সাবধান থাকতে হবে সে বিষয়ে সবাই ইতোমধ্যেই জেনে গেছেন। সুতরাং প্রতিটি মানুষকে এই জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে স্পেন, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানি এবং ফ্রান্সে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্য সবচেয়ে বেশি।

ওডি/

jachai
nite
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
jachai

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড