• শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আয়া সোফিয়া ইস্যুতে এরদোগানের পাশে রাশিয়া

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২০, ১০:০৫
আয়া সোফিয়া ইস্যুতে এরদোগানের পাশে রাশিয়া
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান এবং রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন (ছবি : এএফপি)

তুরস্কের বিখ্যাত আয়া সোফিয়া জাদুঘরকে মসজিদে রূপান্তর করতে তুরস্ক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে সমর্থন জানিয়েছে রাশিয়া। যদিও বিশ্বের অনেক অমুসলিম দেশের নেতারা তুরস্কের এমন সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে।

রুশ উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ভেরশিনিন বলেছেন, এটি সম্পূর্ণ তুরস্কের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এতে বাইরের কোনো দেশের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়।

তিনি এমন সময় এ বক্তব্য দিলেন যখন পশ্চিমা দেশগুলোর পাশাপাশি রাশিয়ার অর্থোডক্স চার্চের পক্ষ থেকেও তুর্কি সরকারের এ পদক্ষেপের নিন্দা জানানো হয়েছে।

রুশ উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিশ্বব্যাপী যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়েছে সে বিষয়ে সম্যক অবহিত হয়েই বলতে চাই, একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।

এর আগে রাশিয়ার ভলোকলামস্ক শহরের অর্থোডক্স চার্চের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়, আয়া সোফিয়াকে মসজিদ হিসেবে ঘোষণা করা খ্রিস্টানদের মুখে চপেটাঘাতের শামিল।

তুরস্কের সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ের সূত্র ধরে দেশটির প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান শুক্রবার (১০ জুলাই) তার দেশের আয়া সোফিয়া জাদুঘরকে মসজিদ হিসেবে ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, শিগগিরই এই ঐতিহাসিক স্থাপনা মুসলমানদের নামাজ আদায়ের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তুর্কি জনগণ এরদোগানের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও পশ্চিমা দেশগুলো এর তীব্র বিরোধিতা করছে।

এরদোগানের ভাষায়, আয়া সোফিয়ায় প্রথম নামাজ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ জুলাই। এর আগে সেখানে দীর্ঘ ৮ দশকের বেশি সময় পর আজান দেওয়া হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় দেড় হাজার বছরের পুরনো হায়া সোফিয়া মুসলিম, খ্রিস্টান এবং বিদেশিদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন এরদোগান। এটি এক সময় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

এরদোগান অবশ্য জানিয়েছেন, মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও আয়া সোফিয়া দেখার জন্য সমস্ত ধর্মের পর্যটকরাই সেখানে প্রবেশ করতে পারবেন। কিন্তু তাতেও নিন্দা থামছে না। গ্রিসসহ বেশ কিছু দেশ তুরস্কের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। ইউনেস্কো জানিয়েছে, আয়া সোফিয়ার ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ স্ট্যাটাস পুনর্বিবেচনা করা হবে।

জার্মানির তুর্কি সম্প্রদায়ও এরদোগানের বিরোধিতা করে জানিয়েছেন, এর ফলে দেশের ভাবমূর্তি ধাক্কা খেল। দেশের ভিতরেও প্রতিবাদ হচ্ছে। বিশিষ্ট লেখক অরহান পামুক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ধর্মনিরপেক্ষ তুরস্ক নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের গর্ব ছিল, তা ধসে গেল।

আরও পড়ুন : ইরানি ঘাঁটিতে ইসরায়েলের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে রুখে দিল সিরিয়া (ভিডিও)

যদিও আয়া সোফিয়াকে ফের মসজিদে পরিণত করার জন্য যথেষ্ট চাপও ছিল দেশের ভিতরও। দেশের একাংশের মানুষ অনেক দিন ধরেই চাইছিলেন, কাঠামোটি আবার মসজিদ হিসেবে খুলে দেওয়া হোক। দেশের সরকারও তা সমর্থন করেছিল।

jachai
nite
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
jachai

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড