• শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২০, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

করোনার ওষুধ কিনতে লাগবে জাতীয় পরিচয়পত্র 

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১২ জুলাই ২০২০, ০১:০৮
করোনা
ছবি : সংগৃহীত

ভারতে বাড়ছেই করোনার সংক্রমণ। তাল মিলিয়ে বাড়ছে মাস্ক, স্যানিটাইজার ইত্যাদির কালোবাজারিও। সেই সঙ্গে করোনার ওষুধ মজুত করে বাজারে কৃত্রিম ঘাটতি তৈরি করার অভিযোগ ওঠছে দেশটির কয়েকটি অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে। এমন পরিস্থিতিতে এবার মহারাষ্ট্রে করোনার দু’টি ওষুধ কিনতে গেলে প্রেসক্রিপশনের সঙ্গে লাগবে জাতীয় পরিচয়পত্রও।

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার এক নির্দেশিকা জারি করে মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। সেখানে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্রে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ওষুধ টোসিলিজুমাব কিনতে গেলে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন, কভিড পজিটিভ রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কিছু নথির সঙ্গে আক্রান্ত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রও জমা দিতে হবে। করোনাকালে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষত মুম্বাইতে রেমডেসিভির এবং টোসিলিজুমাব ওষুধের ঘাটতির ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকার। এই নিয়ে প্রতিদিন সাধারণ মানুষের অসংখ্য অভিযোগ প্রশাসনের কাছে জমা পড়ছে। এর পরেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। ওই দুই ওষুধের কালোবাজারি রুখতে এই পদক্ষেপ।

ভারতে করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মহারাষ্ট্র। কার্যত মৃত্যুপুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে বাণিজ্য নগরী মুম্বাই। পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্প্রতি করোনা মহামারি নিয়ে মুম্বাই পুলিশ ও এফডিএর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ। সেখানেই রেমডেসিভির এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ওষুধ টোসিলিজুমাব’র কালোবাজারির প্রসঙ্গটি ওঠে। তারপরই দেশমুখ কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, ওষুধের কালোবাজারি করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্তমানে কিছু ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা সরাসরি হাসপাতালে এই দু’টি ওষুধ জোগান দিচ্ছে। হাসপাতালগুলো সেই ওষুধ বেআইনিভাবে মজুত করছে কি-না, তাও খতিয়ে দেখা হবে বেল জানান রাজ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশমুখ।

ওডি/

jachai
nite
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
jachai

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড