• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২০, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭  |   ৩১ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

করোনায় রেমডেসিভির প্রয়োগে ভারতের অনুমোদন

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০২ জুন ২০২০, ১৭:২৮
রেমডেসিভির
ছবি : সংগৃহীত

জরুরি প্রয়োজনে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় মার্কিন কোম্পানি গিলিয়াড সায়েন্সেসের তৈরি ভাইরাস প্রতিরোধী ওষুধ রেমডেসিভির প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে ভারত। 

মঙ্গলবার (২ জুন) দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার এই অনুমোদন দেয় বলে জানা গেছে।

মহামারি ইবোলা চিকিৎসায় এই ওষুধ প্রয়োগ করে এর আগে কিছুটা সাফল্য এসেছিল। করোনাভাইরাস মহামারির পর বিদ্যমান ওষুধগুলো কোভিড-১৯ রোগীর ক্ষেত্রে কাজ করছে কিনা এ নিয়ে পরিচালিত ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর প্রথম ওষুধ হিসেবে রেমডেসিভির কিছুটা কাজ করছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।

ভারতের ওষুধ প্রশাসনের মহানিয়ন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘করোনা আক্রান্ত হয়ে যারা হাসপাতালে ভর্তি তাদের ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে পাঁচটি ডোজে ১ জুন থেকে এই ওষুধ (রেমডেসিভির) ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এই ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।’

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) কোভিড-১৯ চিকিৎসায় জরুরিভিত্তিতে এই ওষুধ প্রয়োগের অনুমোদন দেয়। এছাড়া জাপান স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষও করোনায় রেমডেসিভির ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। বিশ্বের আরও অনেক দেশে ওষুধটি অনুমোদন পেয়েছে বা অপেক্ষায় রয়েছে।

আরও পড়ুন : ইরানের প্রতি আবার কৃতজ্ঞতা জানালেন ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট

গিলিয়াড সায়েন্সেস গত ২৯ মে ভারতে রেমডেসিভির ব্যবহারের জন্য আবেদন করেছিল। ইউরোপীয় দেশগুলো ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া এই ওষুধ ব্যবহারের কথা ভাবছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ শুক্রবার বলেছেন, তারা এই ওষুধ আমদানির অনুরোধ জানাবে।

এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে, রেমডেসিভির চিকিৎসকদের আশাবাদী করে তুলছে। সামনে আরও কার্যকর কিছু আসবে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে এর আগ পর্যন্ত এবং অবশ্যই প্রতিষেধক আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত আবদুর রহমান আশা করছেন রেমডেসিভির হয়ে উঠতে পারে করোনা চিকিৎসায় কার্যকর ব্যবস্থা।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড