• সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২০, ২২ আষাঢ় ১৪২৭  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

লকডাউন তুলে নিল মস্কো 

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০১ জুন ২০২০, ২৩:৪৮
করোনা
ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়ায় মহামারি করোনার সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। আক্রান্তের দিক দিয়ে শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের পরপরই এখন দেশটির অবস্থান। অথচ মস্কো নগর কর্তৃপক্ষ শহরে ৯ সপ্তাহ আগে জারি করা লকডাউন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। খবর বিবিসি।

বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর খুলে গেছে রাশিয়ার রাজধানী শহরের শপিংসেন্টার। ঘর থেকে বের হয়ে মানুষ বাইরে যেতে শুরু করেছেন। এছাড়া সমবেত হয়ে আরও অনেক কিছু করতে পারছেন। গত সপ্তাহে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, রাশিয়া করোনা সংক্রমণের সর্বোচ্চ পর্যায় পার করেছে।

অথচ প্রতিদিনই করোনায় সংক্রমিত হিসেবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা রেকর্ড ভেঙ্গে বাড়ছেই। তাই লকডাউন বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের সরকারি এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। কর্মকর্তারা বলছেন, বেশি পরিমাণে পরীক্ষা করায় মৃত্যুর সংখ্যা কম। সমালোচকরা বলছেন, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি।

দেশটির সরকারি কর্তৃপক্ষের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, গত একদিনের নতুন করে আরও ৯ হাজার ৩৫ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছে ১৬২ জন কোভিড-১৯ রোগী। দেশটিতে এ নিয়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা এখন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। তবে এই সংখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে।

শুধু রাশিয়া নয় ইউরোপ অঞ্চলের আরও বেশি কিছু দেশ সোমবার থেকে লকডাউন বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। প্রাইমারি স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে যুক্তরাজ্য ও গ্রীসে। এছাড়া নেদারল্যান্ডসে রেস্তোরাঁ, ক্যাফেটেরিয়া ও জাদুঘর পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। নরওয়ের পানশালাগুলোও আজ থেকে ফের সচল হয়েছে।

ইউরোপের আরেক দেশ পর্তুগালেও আজ থেকে খুলে গেছে সিনেমা হল ও থিয়েটার। ইতালির রোমের কলোসিয়ামগুলো আবারও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে। এদিকে তুরস্কের রাজধানী শহর ইস্তাম্বুলে বিখ্যাত গ্রান্ড বাজার ক্রেতাদের জন্য ও মসজিদগুলো মুসল্লিদের প্রার্থনার জন্য খুলে গেছে ফের।

ওডি/ 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড