• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৮ আশ্বিন ১৪২৭  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

তুর্কি স্থাপনায় বিধ্বংসী হামলার হুমকি সিরিয়ার

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:৪৯
তুর্কি স্থাপনায় বিধ্বংসী হামলার হুমকি সিরিয়ার
বিমান হামলা চালানো হচ্ছে (ছবি : প্রতীকী)

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইদলিবে সরকারি বাহিনীর ওপর তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানের দেওয়া বিধ্বংসী হামলা চালানোর হুমকিকে ‘অর্থহীন’ বলে দাবি করেছে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এমনকি তুরস্কের সেনাদের এবার কঠিন জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এরদোগানের হুমকিকে সিরিয়া মোটেই পাত্তা দিচ্ছে না। কেননা এমন একজন ব্যক্তি হুঁশিয়ারিটি দিয়েছেন, যার পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো ধারণাই নেই।

ইরানি বার্তা সংস্থা পার্সটুডে জানিয়েছে, বিবৃতির মাধ্যমে ইদলিবে অবৈধভাবে তুরস্কের সামরিক উপস্থিতিকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করছে সিরিয়া। যার প্রেক্ষিতে তুর্কি সেনাদের সকল স্থাপনায় অচিরে বিধ্বংসী আগ্রাসন শুরু হবে বলেও জানানো হয়।

এর আগে বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) তুরস্কের পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেছিলেন, আমি ঘোষণা করছি- এখন থেকে আর একজন তুর্কি সৈন্যও যদি আহত হয় তাহলে সিরিয়ার সর্বত্র হামলা চালানো হবে। যে কোনো পন্থায় হোক সিরীয় সৈন্যদের ওপর হামলা করা হবে। এই হামলা আকাশ পথে হোক কিংবা স্থলপথে, কোনোরকম দ্বিধা ছাড়াই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এরদোগান আরও বলেন, ইদলিবে রুশ ও সিরীয় বাহিনী সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তারা এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকলে ইদলিবের বাইরেও সিরীয় বাহিনীর ওপর হামলা চালানো হবে।

তুর্কি প্রেসিডেন্টের ভাষায়, ইদলিবে সিরীয় বাহিনীর কাছে আমরা বেশকিছু এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছি। এই নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে প্রয়োজনে সিরিয়ার সামরিক বিমান ধ্বংস করা হবে। যেভাবেই হোক সেগুলো ধ্বংস করার পক্ষেই আমার অবস্থান।

বিশ্লেষকদের মতে, রুশ সমর্থিত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের নির্দেশে সম্প্রতি বিদ্রোহীদের সর্বশেষ ঘাঁটি ইদলিবে জোরালো সেনা অভিযান শুরু হয়। আর এতেই নতুন করে শরণার্থীদের ঢল নামার আশঙ্কায় প্রেসিডেন্ট এরদোগান সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা ও সাঁজোয়া যান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।

আরও পড়ুন : সিরিয়া ইস্যুতে আচমকা পুতিনকে এরদোগানের ফোন

উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার মানুষ ইদলিব ছেড়ে পালিয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। বর্তমানে তুরস্কে আশ্রিত অবস্থায় আছে আরও ৩৫ লাখের অধিক সিরিয়ান শরণার্থী। যদিও উত্তেজনার কারণে নতুন করে শরণার্থীদের ঢলের আশঙ্কায় রয়েছে পূর্ব ইউরোপের এই দেশটি।

ওডি/কেএইচআর

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড