• বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ভাইরাসে আক্রান্ত নারীকে সুস্থ করার দাবি চীনের

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৬ জানুয়ারি ২০২০, ১২:০২
ভাইরাসে আক্রান্ত নারীকে সুস্থ করর দাবি চীনের
আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে (ছবি : সিএনবিসি)

চীনে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাত পর্যন্ত অজ্ঞাত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬০ জন। তাছাড়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও ১ হাজার ২৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে। যদিও বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজারের অধিক। যদিও ভাইরাসে আক্রান্ত এক নারীকে এরই মধ্যে সুস্থ করে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার দাবি করেছে বেইজিংয়ের চিকিৎসকরা।

দেশটির সাংহাই মিউনিসিপাল হেলথ কমিশনের বরাতে বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, টানা ছয়দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর ৫৬ বছর বয়সী চেন নামে ওই নারী বর্তমানে সুস্থ আছেন। তিনি গত ১০ জানুয়ারি অজ্ঞান অবস্থায় জ্বর নিয়ে বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি হন।

চীনা চিকিৎসকদের মতে, বিভিন্ন পরীক্ষার পর সেই নারীর দেহে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ পাওয়া যায়। মূলত এর পরপরই তার চিকিৎসা শুরু হয়। গত কয়েকদিনের চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তিনি সুস্থ অবস্থায় আছেন। তাই চেন নামে সেই নারীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তিনি উহান প্রদেশের বাসিন্দা। মূলত সেখান থেকেই করোনা ভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ে।

এ দিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় নতুন একটি হাসপাতাল নির্মাণ শুরু করেছে চীন। মাত্র ১০ দিনের মধ্যে হাসপাতালটি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার উপযোগী হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর সিএনবিসি।

সংবাদ মাধ্যমটিতে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ২৫ হাজার বর্গফুটের হাসপাতালটিতে শয্যা সংখ্যা থাকবে এক হাজার। আর আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে হাসপাতালটিতে রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন।

অপর দিকে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এ ভাইরাস মানুষ ও প্রাণীদের ফুসফুসে সংক্রমণ করতে পারে। ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা বা ফ্লুর মতো হাঁচি-কাশির মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। এ ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার প্রধান লক্ষণগুলো হলো- শ্বাসকষ্ট, জ্বর, কাশি, নিউমোনিয়া ইত্যাদি। শরীরের এক বা একাধিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিষ্ক্রিয় হয়ে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে।

আরও পড়ুন : মরদেহ নিজের কাঁধে তুলে নিলেন এরদোগান

সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো ভাইরাসটি নতুন হওয়ায় এখনো কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। এ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় সংক্রমিত ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকা। তাই মানুষের শরীরে এমন উপসর্গ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চীনা বিজ্ঞানীরা।

ওডি/কেএইচআর

jachai
nite
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
jachai

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড