• মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২৬ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

গুরদুয়ারার সুরক্ষা দিল মুসলিমরা, পেল না বাবরি মসজিদের সুরক্ষা

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৯ নভেম্বর ২০১৯, ২০:৫৩
ভারত-পাকিস্তান
বাবরি মসজিদ, ছবি : সংগৃহীত

বাবরি মসজিদ নিয়ে চূড়ান্ত রায় দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। শনিবার এই রায় প্রকাশ করা হয়। এতে মসজিদটির স্থানে একটি মন্দির নির্মাণের অনুমোদন দেয় আদালত। আর মুসলমানদের জন্য আলাদা একটি জায়গায় মসজিদ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ দিকে একই দিনে নিজেদের পবিত্র স্থান ফেরত পেল ভারতীয় শিখ ধর্মাবলম্বীরা। তাদের পবিত্র এই স্থান পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের কর্তারপুরে অবস্থিত। মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা হলেও গুরদুয়ারাটির সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে ভালোভাবেই। কোনোদিন এটি ভেঙে মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা হয়নি।

পাকিস্তান শিখ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সর্দার রামেশ সিং তুর্কি গণমাধ্যম আনাদুলো এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বিষয় তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, হিন্দু অধ্যুষিত ভারতে একটি মসজিদ এবং মুসলিম অধ্যুষিত পাকিস্তানে গুরদুয়ারা থাকার বিষয়টি একই রকম। কিন্তু এর ফলাফল এক হয়নি। পাকিস্তানের মুসলমানরা গুরদুয়ারাকে সুরক্ষা দিলেও ভারতের হিন্দুরা বাবরি মসজিদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাবরি মসজিদের জায়গা কেড়ে নেওয়া হয়েছে ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিমদের কাছ থেকে। কিন্তু পাকিস্তানে সংখ্যালঘু শিখ সম্প্রদায়ের পবিত্র স্থান গুরদুয়ারা এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এতে বোঝা যায়, মুসলমানরা গুরদুয়ারার সুরক্ষা দিলেও তারা হিন্দুদের কাছ থেকে বাবরি মসজিদের সুরক্ষা পায়নি।

রামেশ সিং মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রশংসা করে বলেন, পাকিস্তান সৃষ্টির পর চাইলেই গুরদুয়ারাটিকে তারা মসজিদে রূপান্তরিত করতে পারত। কিন্তু সেটা না করে এটির সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে তারা। শুধু তাই নয়, ভারতীয় শিখরা যেন এখানে আসতে পারে সেজন্য কর্তারপুর করিডরও চালু করেছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের অযোধ্যার বাবরি মসজিদ ও রাম মন্দির নিয়ে করা মামলার বহু প্রতীক্ষিত রায় শনিবার ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে বাবরি মসজিদের বিরোধপূর্ণ জমি রামজন্মভূমি ট্রাস্টকে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। সে ক্ষেত্রে নতুন একটি মসজিদ নির্মাণে বিকল্প কোনো জমি বরাদ্দের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ওডি/ডিএইচ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড