• সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন

‘ইন্টারন্যাশনাল এসএ কনটেস্ট ফর ইয়াং পিপল’ জয়ী এক বাংলাদেশির গল্প

  মো. খালিদ হাসান মিলু

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:৪৬
‘ইন্টারন্যাশনাল এসএ কনটেস্ট ফর ইয়াং পিপল’
অঞ্জলি সরকার (ছবি : সম্পাদিত)

কলমের সঙ্গে কিছু মানুষের অসম্ভব রকম ভালোবাসা থাকে। লিখতে প্রচণ্ড ভালোবাসে কিছু মানুষ। তারা হয়তো কবি নয়, অথবা নয় কোনো সাহিত্যিক। কিন্তু এই অখ্যাত মানুষগুলোর কিছু বিখ্যাত কাজ পুরো দেশকে বিশ্বের বুকে পরিচিত করে তোলে।

এমনি একজন বাংলাদেশির নাম অঞ্জলি সরকার। যিনি ২০১২ সালে ইন্টারন্যাশনাল এসএ কনটেস্ট ফর ইয়াং পিপলের প্রথম পুরস্কারজয়ী বাংলাদেশি।

প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ছিল ‘ক্রিয়েটিং দ্যা ফিউচার উই ওয়ান্ট’। বিশ্বের হাজার হাজার অংশগ্রহণকারীর মধ্য থেকে তার লেখা ‘কাউন্টিং দ্যা আনকাউন্টেবল’ সেরা নির্বাচিত হয়। দেশের গতানুগতিক ধারণা, বর্ণবাদ ও তার প্রকৃত জবাব লেখায় স্থান পেয়েছে। যে মেয়েটিকে জন্মের পরেই গায়ের শ্যামলা বর্ণের জন্য মানুষ বলেছিল অনেক যৌতুক দিয়ে বিয়ে দিতে হবে সেই মেয়েটিই তার বহুমুখী প্রতিভার স্বাক্ষর বরাবর রেখেই চলেছেন।

ছবি

‘ইন্টারন্যাশনাল এসএ কনটেস্ট ফর ইয়াং পিপল-২০১২’ (ছবি : সম্পাদিত)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক শেষ করে তিনি সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সোশ্যাল ইনোভেশনে ডিপ্লোমা করেছেন।

বর্তমানে তিনি ইনইকুয়ালিটিস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্স ইন দ্যা লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্সে (এলএসই) স্নাতকোত্তর করছেন। নিজের রুটিন করা কাজগুলোর বাইরে যে তিনি অনেক কাজ করেন তা তার অর্জন দেখলেই বোঝা যায়। তিনি এলএসই’র একজন অ্যাটল্যান্টিক ফেলো।

ছবি

  ‘ইন্টারন্যাশনাল এসএ কনটেস্ট ফর ইয়াং পিপল’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন অঞ্জলি সরকার (ছবি : সম্পাদিত)

এতোসব কাজের মাঝেও গুণী এ মানুষটি নিজেকে একজন সোশ্যাল ইনোভেশন এক্সপার্ট ও ডেভেলপমেন্ট প্রাকটিশনার হিসেবেও তৈরি করেছেন। সমাজের দুঃস্থ, অবহেলিত মানুষদের বিশেষত দুঃস্থ যুব ও মহিলাদের নিয়ে দীর্ঘ সাত বছর ধরে কাজ করে আসছেন তিনি। ওয়াল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্লোবাল শেপার এ মানুষটি বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরছেন তার আপন প্রতিভায়। তার মতো আরও মেধাবী মানুষের জন্ম হোক এ বাংলায়। 

তার লেখা ‘কাউন্টিং দ্যা আনকাউন্টেবল’ এর শেষ লাইনটি দিয়ে শেষ করতে চাই এ গুণী মানুষটির কথা।

‘Future is nowhere, but in our own hands. Enough running after petty material things; let's start counting the uncountable!’

ওডি/আরএআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড