• রবিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬  |   ৩৩ °সে
  • বেটা ভার্সন

স্যান্ডউইচের উৎপত্তি হয়েছিল যেভাবে

  ফিচার ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০১৯, ১৩:২৬
স্যান্ডউইচ
পাউরুটির ভাঁজে পুর দিয়ে তৈরি হয় স্যান্ডউইচ; (ছবি- ইন্টারনেট)

ঝটপট নাস্তা হিসেবে স্যান্ডউইচের জুড়ি নেই। মাংস কিংবা সবজির পুর ভরা পাউরুটির এই পদটি ছোট বড় সবারই পছন্দের তালিকায় থাকে। কখনো কি স্যান্ডউইচ খেতে খেতে ভেবেছেন, এই খাবারের নাম এমন হলো কেন? কোথায় থেকেই বা উৎপত্তি ঘটলো এ খাবারের? 

দক্ষিণ পূর্ব ইংল্যান্ডের স্টোর নদীর ওপর অবস্থিত কেন্ট প্রশাসনিক বিভাগের অন্তর্গত ডোভার জেলার এক উপকূলবর্তীয় ঐতিহাসিক শহর স্যান্ডউইচ। এক সময় এই শহরটি খ্যাত ছিল ইংল্যান্ডের অন্যতম পোর্ট হিসেবে। প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের বসবাস সেখানে।

স্যান্ডউইচ শহরের একজন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ছিলেন জন মন্ত্যাগু। ১৭২৯ খ্রিস্টাব্দে ১০ বছর বয়সে তিনি আর্ল অফ স্যান্ডউইচ খেতাব অর্জন করেন। লোকমুখে প্রচলিত রয়েছে, একবার জন তার ভৃত্যকে খাবারের জন্য মাংস আনতে বলেন এবং বলে দেন তা যেন দুটো রুটির মধ্যে ভরে পরিবেশন করা হয়। এভাবে নিয়মিত রুটির ভেতর ভরে মাংস খেতেন তিনি। একসময় তার এই খাবার ধরণ জনপ্রিয়তা লাভ করে। 

আবার প্রচলিত রয়েছে, জন একজন দক্ষ ও নামকরা জুয়াড়ু ছিলেন। তিনি জুয়া খেলায় এতটা মগ্ন থাকতেন যে খাবার গ্রহণের জন্য আলাদা সময়ও বের করতে পারতেন না। তাই তাকে স্লাইস করা মাংস পরিবেশন করা হতো যা তিনি দুই টুকরো রুটির মাঝে ভরে খেতেন। এই কাজটি তিনি করতেন যেন এক হাতের সাহায্যে এবং কম সময়েই খাবার খাওয়া যায়। 

ধীরে ধীরে জনের এই খাবার খাওয়ার ধরণটি জুয়াড়ি বন্ধুদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। একসময় তা ছড়িয়ে পড়ে পুরো শহর এবং শহর ছাড়িয়ে দেশ, বিদেশ। লোকেরা যখন রুটির ভেতর কিছু ভরে খেত তখন শহরের নাম উল্লেখ করে বলতো ‘স্যান্ডউইচের মতো’। একসময় শহরের নামটিই হয়ে গেল খাবারের নাম। 

সময় বাঁচাতে কিংবা একটু ভিন্ন আঙ্গিকে খাবার গ্রহণের জন্য জনের দেখানো পথ ধরেই আজকে পুরো বিশ্ববাসী পেয়েছে স্যান্ডউইচের মতো একটি খাবার। দুই টুকরো পাউরুটির ভেতরে মাংস, সবজি কিংবা চিজের পুর দেওয়া খাবারটি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে সব দেশেই। 

ওডি/এনএম 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড