• বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯, ৫ আষাঢ় ১৪২৬  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন

অনলাইনে এবারের ঈদ

নাবিলা বুশরা  
০২ জুন ২০১৯, ১৬:০৭

পোশাক
অনলাইনে এবার অর্ডার করলেই মিলছে শাড়ির সাথে মিলিয়ে পাঞ্জাবী (ছবি কৃতজ্ঞতা: তায়সা)

শহুরে জীবনে সবাই কমবেশি ব্যস্ত। এই ব্যস্ততার মাঝে সময় বের করে পরিবারের সদস্য অথবা নিজের জন্য মার্কেটে ঘুরে শপিং করার ব্যাপারটা অনেকের কাছেই কিছুটা তিক্ততার ব্যাপারই বটে। আবার রাজধানীবাসীর জন্য শুধু ব্যস্ততা নয়, কিছুটা বিড়ম্বনায় ফেলে রাস্তার জ্যামও। সারাদিন জ্যাম পার হয়ে মার্কেটে যেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না অনেকেই। সেদিক থেকে এখন ব্যস্ততার এই জায়গাগুলো ধরে রেখেছে অনলাইন শপিং। এখন অনলাইনে শুধু পোশাক নয়, গয়নাসহ পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন খাবার আর প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদিও। পণ্যের দামের সাথে শুধুমাত্র হোম ডেলিভারি অথবা কুরিয়ার চার্জের কিছু বাড়তি টাকা যুক্ত করলেই সহজে পণ্য মিলছে ঘরে বসেই। পছন্দসই পোশাকের সাথে মিলিয়ে গয়না, সাজ সরঞ্জামাদির অনুষঙ্গ, জুতো সবই মিলছে অনলাইনের ঘরে। ক্রেতাদের পছন্দের কথা মাথায় রেখেই অনলাইন বিক্রেতারা এইসব পণ্য নিয়ে আসছেন। তবে ঈদের সময় ব্যস্ততা কিছুটা বেড়ে যায় সবারই। সারা বছরের টুকটাক কেনাকাটার বাইরে ঈদ উপলক্ষে সবারই কেনার তালিকা কিছুটা বড় থাকে। আর তাই বিক্রেতাদেরও কিছুটা ব্যস্ত সময় পার করতে হয় এ সময়।

কেমন চলছে অনলাইনে ঈদ আয়োজন? ক্রেতাদের কাছ থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন এইসকল বিষয় নিয়ে দৈনিক অধিকার কথা বলেছিল অনলাইনে সুপরিচিত বেশ কয়েকটি পেইজের সাথে। তারা জানিয়েছেন তাদের ঈদ আয়োজনের কথা, তাদের অভিব্যক্তির কথা। 

তায়সা 

'তায়সা' পেইজের কর্ণধার তিথি এবং দিসা। দুই বান্ধবীর শুরু করা তায়সা আজ গ্রাহকের ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। ঈদ উপলক্ষে কেমন পোশাক এবার তায়সায়- এমন জবাবে তারা জানান, প্রচন্ড গরমের কথা মাথায় রেখেই ঈদে আমাদের মূল আকর্ষণ ছিল নরম, তুলতুলে সুতি শাড়ি। এই গরমে আসলে কাস্টমারদের কথা মাথায় রেখেই আমরা কটন শাড়িগুলো বানিয়েছি। আর কটন দেশীয় শাড়িগুলোকে কাস্টমারদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলাও আমাদের একটি মূল লক্ষ্য। কিন্তু অবশ্যই সেক্ষেত্রে ঈদ আমেজের চাকচিক্যের কথা মাথায় রেখে সাথে রাখা হয়েছে মসলিনের সাথে ফ্রিল ওয়ার্ক করা শাড়ি যা ঈদের দিনের রাতে নিজস্ব ব্যক্তিত্বকে করে তুলবে দ্বিগুণ আলোচিত।

তায়সা

সারা বছরের তুলনায় ঈদের সময় কাজের চাপ কিছুটা বেশি থাকে বলে জানান তারা। অন্য সময়ের শাড়িগুলো ঈদের মত হয়ত হয় না। ঈদে সবাই পোশাকে একটু ভিন্নতা চায়। কেউ হয়ত মায়ের জন্য শাড়ি কিনছেন, কেউবা বোনের জন্য, আর নয়ত কাছের মানুষের জন্য। তাই এ সময় পছন্দের ব্যাপারগুলোকেও একটু বেশি ভাবনায় রাখতে হয়। 

তায়সায় শাড়ির পাশাপাশি পাওয়া যাচ্ছে শাড়ির সাথে মিলিয়ে কাপল পাঞ্জাবি। আর শাড়ি পরতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করলে রয়েছে সালোয়ার কামিজ ওড়না, যেগুলো শাড়ির আদলেই বানানো। 

প্রতিটি পণ্যই কুরিয়ার অথবা হোম ডেলিভারির মাধ্যমে নেয়ার সুবিধা থাকছে গ্রাহকদের। 

তায়সা পেইজের লিংক: তায়সা - Taysha

খাদি

আপনি যদি সুতি খাদি ভালোবাসেন তবে ঘুরে আসতে পারেন অনলাইন পেইজ খাদি থেকে। এবার ঈদে খাদি মূল কাজ করেছে মেয়েদের পোশাক নিয়ে। আরামদায়ক আর ফ্যাশনেবল পোশাকে প্রাধান্য পেয়েছে কুর্তি। এর আগে ছেলেদের শার্ট আর পাঞ্জাবি নিয়েও কাজ করেছে খাদি। 

khadi

তবে ঈদ পোশাক বলতে খাদির পোশাকগুলো খুব বেশি আড়ম্বরপূর্ণ নয়। অফিসে, বিভিন্ন গেটটুগেদারে বা কর্মব্যস্ত দিনে ছুটে চলার সময়ও পোশাকগুলো যেন সহজেই আরাম দেয় সে ভাবনাই থাকে খাদির মূল ডিজাইনে। 

বর্তমানে খাদির ডিজাইনে শুধু পোশাক প্রাধান্য পেলেও পরবর্তীতে ঘরবাড়ি সজ্জার কিছু জিনিস যেমন পর্দা, বিছানার চাদর এসব নিয়েও তাদের কাজ করার ভাবনা রয়েছে বলে জানান খাদির কর্ণধার ফাতেমা তুজ জোহরা নুভিয়া।

খাদি পেইজের লিংক: খাদি : Khaadi

মৃণালিনী 

যারা হ্যান্ডলুম তাঁত ভালোবাসেন তাদের জন্য মৃণালিনী এনেছে বেশ কিছু ভিন্নধর্মী শাড়ি। ঈদ উপলক্ষে তাদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে হ্যান্ডলুমের নরম সুতি শাড়ি, এ্যান্ডি কটন শাড়ি, নিব কটন শাড়ি এবং চুমকি ড্রেস। প্রধান পণ্য শাড়ি হলেও এখন তাদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে রেডিমেড ব্লাউজও। এইসব ব্লাউজ আবার বিভিন্ন মোটিফের উপর ভিত্তি করে মেশিন এমব্রয়ডারি এবং হ্যান্ড এমব্রয়ডারি করা। 

পোশাক

সারা বছরের চেয়ে ঈদের সময়ে ব্যস্ততা একটু বেশি থাকে বলে জানালেন মৃণালিনীর কর্ণধার মাহমুদা আক্তার মিরা। তাদের পেইজটি রংপুর হওয়ায় আগে অর্ডার নেয়ার কাজ সম্পন্ন করে এরপর প্রোডাকশন এবং ডেলিভারির প্রসেসে যেতে হয়। আর এই সময়গুলো বেশ চাপের মাঝেই থাকতে হয় বলে জানান তিনি।

মৃণালিনী পেইজের লিংক: মৃণালিনী - Mrinalini

অংশু 

ভিন্ন আঙ্গিকের আর কিছুটা দামি পোশাক পেতে ঘুরে আসতে পারেন অংশুর অনলাইন পেইজ থেকে। এবার ঈদে কিছুটা চ্যালেঞ্জ নিয়েই কাজ করেছে অংশু। মসলিনের মতন অসম্ভব সূক্ষ্ম তন্তুর একটি শাড়ি নিয়ে ছিল এবার অংশুর এক্সপেরিমেন্ট। পুরো শাড়ির ওজন খুবই কম। আশির দশকে আমাদের মায়েরা যেমন সিম্পল স্ট্রাইপের সিল্ক শাড়ি পরতেন, সেই ডিজাইনেই করা হয়েছে শাড়িটা। এছাড়াও তাদের এক্সক্লুসিভ প্রডাক্ট জামদানী কাতানে এই প্রথম সালোয়ার কামিজ নিয়ে এসেছে তারা। 

অংশু

অন্যদের চেয়ে পণ্যের বাহার কিছুটা আলাদা বলেই অংশুর কদর গ্রাহকদের কাছে একটু আলাদা। আর তাই তো সারা বছরের তুলনায় গ্রাহকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে নতুন নতুন ডিজাইন প্রেজেন্ট করার ব্যাপারে তারা সব সময় একটু আলাদা কিছুই ভাবে। এছাড়াও ঈদ মৌসুমে বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশ নেওয়ার ব্যাপারটিও মাথায় রেখে কাজ চালিয়ে যেতে হয় বলে জানালেন অংশু'র কর্ণধার তানজিনা হক।

পোশাক ছাড়াও অংশুতে পাওয়া যাচ্ছে নানা ধরনের ব্লাউজ পিস। পাওয়া যায় এক্সিবিশনের জন্য মেটাল গয়নাও।

অংশু পেইজের লিংক: অংশু / Angshu

বিজেন্স

ঈদ যেহেতু এবার গরমেই হচ্ছে সে হিসেবে সুতিকেই প্রাধান্য দিয়ে জাঁকজমক থাকার ব্যাপারটি নিয়ে কাজ করেছে বিজেন্স। সুতিতে কিন্তু চাকচিক্য কমে না বরং অন্য শাড়ির মতই এর বাহুল্যতা ধরে রাখা যায়। এছাড়াও গর্জিয়াস পোশাক আর গয়নাও রয়েছে বিজেন্সে। 

bjns

বিজেন্সের কর্ণধার চার জন। ইসরাত বিজু, নুসরাত জিসা, জিনাত জাহান নিশা, তানজিদ শুভ। সবাই মিলে বেশ সুন্দর করেই গুছিয়ে নিয়েছেন কাজ। ঈদের সময় সারা বছরের তুলনায় কর্মব্যস্ততা বেশি থাকে বলে জানালেন তারা। এবার গরম আর আরাম দুই বিষয়ের কথা মাথায় রেখে সিল্ক, কাতান, বালুচরীর শাড়ি, কু্র্তি, ওয়েস্টার্ন কালেকশনস নিয়ে এসেছে বিজেন্স। তাদের কাছে পোশাকের নানা ধরণ ছাড়াও পাওয়া যাবে গয়নাও। 

এবার বিজেন্সে কেনাকাটা করে সার্ভিস চার্জ অথবা মোট বিলের উপর ছাড় দেয়ারও ব্যবস্থা ছিল। 

বিজেন্স পেইজের লিংক: BJNS' - বিজেন্স

বুবুর বায়না 

বুবুর বায়নায় বরাবরই ভিন্নতা থাকে পোশাকে। তাদের মূল কাজ মূলত পোশাক নিয়ে। আর পোশাকের মাঝেও প্রাধান্য পায় শাড়ি। শাড়িতে বিভিন্ন সময় নজরকাড়া ফুলের দেখা পাওয়া যায় বুবুর বায়নাতে। এবার তাদের মূল আকর্ষণ ছিল বাগানবিলাস। আর বাগানবিলাস পাওয়া যাচ্ছে কামিজ পিস, কুর্তি পিস, সুতি শাড়ি ও মসলিনে। আবার মসলিনেরও রয়েছে নজরকাড়া তিনটি রঙ। মিল্কি হোয়াইট, আকাশী নীল আর পেস্ট সবুজ। আর কামিজ পিস ছিল ডার্টি হোয়াইট আর হলদে রঙে। 

পুরো বছরের তুলনায় এবারের ঈদে কেমন সাড়া ছিল গ্রাহকদের তা জানতে চাইতেই বুবুর বায়নার কর্ণধার নাইমা মিতা জানালেন, অনলাইন কেনাবেচা আসলে এখন এমনই অপরিহার্য আর জীবন-বাঁচানো একটা বিষয় হয়ে গেছে যে সারাবছরই প্রচুর রেস্পন্স থাকে। এর পেছনে বিভিন্ন পেইজের উদ্যোক্তাদের অবদানও অনেক। তারা প্রতিনিয়তই নতুন কোনো না কোনো নকশা নিয়ে কাজ করে, ক্রেতাদের নতুনত্ব উপহার দেয়। আমাদের নতুন কিছু বের করতে আসলে উপলক্ষ্য লাগে না। আমরা সৃষ্টিশীলতা থেকেই করি। ঈদে কাজের চাপটা একটু বেশি থাকে, কারণ ঈদে সৃষ্ট জ্যাম এর মধ্যে সময়মত ডেলিভারি দেয়াটা একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। আর ঈদের কাজগুলো আগে পাব্লিশ করতে হয়, কারণ ক্রেতাদের কিনে সেগুলো বানাতে দেয়া, তার সাথে মিলিয়ে অনুষঙ্গ কেনার মত নানা ব্যাপার থাকে। তাই চাপটা একটু বেশি থাকে এসব দিক দিয়ে। 

বুবুর বায়না

বুবুর বায়নার কাজে দারুণ খুশি গ্রাহকরাও। তবে পোশাক ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে এখন তারা কাজ করছেন না। এই না করাটা নিয়েও আবার পরিকল্পনা রয়েছে নাইমা মিতার। মেয়ে অংশুলা আনন্দী খান গয়নায় ছবি এঁকে বেশ ভালো সাড়া পেয়েছে এবারের বৈশাখে। হয়ত মেয়ের কাজগুলোই খুব দ্রুত সামনে নিয়ে আসবেন তিনি।

এবার বুবুর বায়নায় মূল্যছাড় দেয়া হয়েছিল পোশাকে। ঈদ পূর্ববর্তী প্রতিটি পণ্যেই ছিল অভাবনীয় ছাড়, আর সেই সাথে নতুন পুরাতন যেকোনো পণ্যই দুইয়ের অধিক কিনলে ডেলিভারি চার্জ ফ্রি করা হয়েছিল। এবার বুবুর বায়নার চেষ্টা ছিল সাধ্যের মধ্যে প্রাপ্তির সুখটুকু যেন সবাই পায়। 

বুবুর বায়না পেইজের লিংক: বুবুর বায়না

ইশকাপন

পোশাকে দেশীয় ধারা ধরে রেখে কাজ করে যাচ্ছে ইশকাপন। তাদের করা বেশিরভাগ শাড়িতেই করা হয় ব্লকের কাজ, পাওয়া যায় কিছু হাফ সিল্কও। ইশকাপনে শাড়ির পাশাপাশি পাওয়া যায় পাঞ্জাবি, টু-পিস, বেশ কিছু কাঠের গহনাও। দুই বান্ধবী আমাতুল বুশরা ঐশী আর মাশতুরা শিকদার খুশবুর ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি ইশকাপন। দুই বান্ধবীর পড়াশোনা বর্তমানে ভিন্ন জায়গায় হলেও তাদের বন্ধুত্ব ছোটবেলা থেকেই। দুইজন মিলেই সামলিয়ে আসছেন সবকিছু।

ishkapon

এবার ঈদ উপলক্ষে ইশকাপন এনেছিল আগের পণ্যগুলোই। তবে প্রতিটিতেই ছিল নতুনত্বের ছোঁয়া। 

ঈদের সময় এবার রমজানে বেশ খানিক ব্যস্ত সময় পার করতে হয়েছে দুই বান্ধবীকে। সারা বছরের কাজগুলো ছাপিয়ে এবার ঈদে ইশকাপন বেশ খানিকটা ভিন্নতা নিয়ে পোশাকের কাজ করেছে যা খুব সহজেই গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে গ্রাহকদের কাছে। 

ইশকাপন পেইজের লিংক: ইশকাপন

গতবারের তুলনায় এবার অনলাইনে পেইজের সংখ্যা কিছুটা বেশি। সবারই চেষ্টা থাকে গ্রাহকের কাছে নিজেদের সর্বোচ্চটা তুলে দেওয়ার। তবু কিছু পেইজের কারণে অনলাইনে কেনাকাটা থেকে বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেন অনেক ক্রেতাই। তবে সেই অল্পকয়েক পেইজের কারণে আপনি ভালো পণ্যটা হারাচ্ছেন কিনা সেটাও আপনাকেই মাথায় রাখতে হবে। পণ্য কিনুন, তবে দেখে কিনুন- এমনটা সব পেইজেরই কর্ণধারের কথা। 

শুধু ক্রেতাদের কেনার বেলাতেই নয়, বিশ্বাস অবিশ্বাসের পালা তৈরি হয় বিক্রেতাদের মাঝেও। অনেক ক্রেতা পণ্য হাতে পেয়ে সঠিকভাবে মূল্য পরিশোধ করেন না অথবা অর্ডার করেও শেষ মুহুর্তে পণ্যটি নেন না বলে ঝামেলায় পড়তে হয় বিক্রেতাদের। আর এজন্য অনেকেই পণ্য হাতে পাওয়ার আগে বিকাশে লেনদেনের বিষয়টি নির্ধারণ করে দেন। 

অনলাইন সবার জন্য স্বাচ্ছন্দ্যতা বয়ে নিয়ে আসুক। সবার ঈদ কাটুক আনন্দে। 

ওডি/এএন 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড