• শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯  |   ১৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

করোনা থেকে বাঁচতে ভুলতে হবে আড়াই লক্ষ বছরের লালিত অভ্যাস

  ফিচার ডেস্ক

০১ এপ্রিল ২০২০, ২১:৫১
চোউকোউ তিয়েন
চিনের চোউকোউ তিয়েনের একটি গুহার প্রবেশপথ (বাম দিকে)। পেকিং মানবের মডেল(ডান দিকে)।

কোভিড-১৯ সংক্রমণের উৎসস্থল চিনের উহান প্রদেশ থেকে চোউকোউ তিয়েনের দূরত্ব প্রায় হাজার কিলোমিটার। নৃতত্ত্ববিদদের একাংশের ধারণা এই চোউকোউ তিয়েনের একাধিক গুহা থেকেই আধুনিক মানুষের পূর্বপুরুষের (হোমো ইরেক্টাস বা পেকিং মানব) প্রথম দলবদ্ধ ভাবে থাকা, জড়ো হওয়া ও আগুন ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছিল । তবে অন্য মত-ও রয়েছে। বিশ্ব জুড়ে হেরিটেজ এলাকা সংরক্ষণ ও ঘোষণা করে যে সংস্থাটি, সেই ‘ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব মনুমেন্টস অ্যান্ড সাইটস’-এর তথ্য অনুযায়ী, এখান থেকেই ‘হোমিনাইজেশন’, অর্থাৎ সভ্য মানুষ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া বা অভ্যাসের শুরু। যে অভ্যাস কমপক্ষে আড়াই লক্ষেরও বেশি বছরের পুরনো।

কিন্তু এক জায়গায় জড়ো হওয়ার সেই লক্ষ বছরের পুরনো অভ্যাসকেই এখন সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য সাময়িক ভাবে ভোলা (ডি-লার্ন) দরকার বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা। মানে, একসঙ্গে থাকতে শেখার দৌলতে মানুষ মানুষ হয়েছে, কিন্তু এখন বাঁচার তাগিদে তাকে একসঙ্গে না থাকা শিখতে হচ্ছে।

হোমো ইরেক্টাসদের থাকার প্রমাণ আগে অন্যত্র মিললেও চোউকোউ তিয়েনের গুহাতেই প্রথম তাদের ছোট-ছোট দলে থাকার অভ্যাস, আগুন ব্যবহার ও অনুভূতিগত ভাবে জোটবদ্ধ হওয়ার প্রমাণ মিলেছিল। কমপক্ষে আড়াই লক্ষ বা তারও বেশি বছর আগে তাদের সেখানে থাকার প্রমাণ মিলেছিল।

যদিও তা ভোলা তো দূর, এখনও পাড়া বা গলির মুখে অকারণে আড্ডাবাজি, বিনা কারণে কয়েক জন জড়ো হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়া চলছেই। আর নাগরিকদের একাংশের লকডাউনকে অগ্রাহ্য করার এই নিয়মভঙ্গকারী মনোভাবই ক্রমশ গোষ্ঠী সংক্রমণ-এর আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

নির্বাহী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118243, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড