• শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

মসজিদ পরিচিতি

মহাসাগরে ভাসমান দৃষ্টিনন্দন মসজিদ!

  মুনশি আমিনুল ইসলাম

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:৩৩
ইসলাম
ছবি: সংগৃহীত

দূরের কোনো জাহাজ থেকে দেখলে মনে হবে- ঢেউয়ের বুকে যেন মসজিদটি দুলছে আর মুসল্লিরা যেন নামাজ পড়ছেন পানির ওপর। এটি মরক্কোয় অবস্থিত অদ্ভূত এক সুন্দর মসজিদ। পানিতে ভাসমান দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটির নাম ‘গ্র্যান্ড মস্ক হাসান–২’ বা দ্বিতীয় হাসান মসজিদ। বাদশাহ দ্বিতীয় হাসান কাসাব্লাঙ্কা শহরে এ মসজিদ তৈরি করেন। একে ভাসমান মসজিদ বলার কারণ, মসজিদটির তিনভাগের একভাগ আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর অবস্থিত।

প্রায় ১ লাখ মানুষ একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন মসজিদটিতে। এর মিনারের উচ্চতা ২০০ মিটার। আর মেঝে থেকে ছাদের উচ্চতা ৬৫ মিটার। মসজিদের ছাদটি প্রতি ৩ মিনিট পরপর যান্ত্রিকভাবে খুলে যায় বলে ভেতরে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে। তবে বৃষ্টির সময় ছাদটি খোলা হয় না। মসজিদটির নির্মাণ কাজ করেছে ফরাসি কোম্পানি বয়গিসের প্রকৌশলীরা। আর এর নকশা প্রস্তুত করেছিলেন ফরাসি স্থপতি মিশেল পিনচিউ।

২২.২৪ একর জায়গার ওপর অবস্থিত মসজিদটির মূল ভবনের সঙ্গেই আছে লাইব্রেরি, কুরআন শিক্ষালয়, ওজুখানা এবং কনফারেন্স রুম। ২৫০০ পিলারের ওপর স্থাপিত মসজিদের ভেতরকার পুরোটাই টাইলস বসানো। মসজিদের আশপাশে সাজানো আছে ১২৪টি ঝর্ণা এবং ৫০টি ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি।

মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৮৭ সালের আগস্ট মাসে। প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিক ও কারুশিল্পীর পরিশ্রমে অন্তত সাত বছর সময় লাগে এটি নির্মাণ করতে। ১৯৯৩ সালে যখন মসজিদটি উদ্বোধন করা হয় তখন এটির মোট নির্মাণব্যয় ছিল ৮০ কোটি ডলার।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

নির্বাহী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118243, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড