• বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬  |   ৩১ °সে
  • বেটা ভার্সন

দার্শনিকদের ব্যাখ্যা করা বিশ্বকে পরিবর্তন করাটাই আসল কাজ : কার্ল মার্ক্স

  অধিকার ডেস্ক    ০৫ মে ২০১৯, ১০:০২

কার্ল মার্ক্স
বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা কার্ল মার্ক্স

‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ শ্লোগানে শোষিত-বঞ্চিত মেহনতি মানুষকে তাদের ন্যায্য অধিকারের বিষয়ে সচেতন করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন উনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত জার্মান চিন্তাবিদ, দার্শনিক, সমাজবিজ্ঞানী ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা কার্ল মার্ক্স। তাঁর পুরো নাম কার্ল হাইনরিশ মার্ক্স। 

১৮১৮ সালের ৫ মে প্রুশিয়া সাম্রাজ্যের নিম্ন রাইন প্রদেশের অন্তর্গত ট্রায়ের নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন কার্ল মার্ক্স। 

একজন মার্ক্স এবং মার্ক্সবাদ 

সমগ্র মানব ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের একজন মার্ক্স। মার্ক্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রচনাগুলোর মাঝে রয়েছে তিন খণ্ডে রচিত পুঁজি এবং ফ্রেডরিখ এঙ্গেলসের সাথে যৌথভাবে রচিত কমিউনিস্ট ইশতেহার (১৮৪৮)।

সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনীতিসংক্রান্ত মার্ক্সের তত্ত্বসমূহ 'মার্ক্সবাদ' নামে পরিচিত। মার্ক্সের মতে, শ্রেণি সংগ্রামের ভিতর দিয়ে মানব সমাজগুলো বিবর্তিত হচ্ছে। পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় এই সংগ্রামের প্রকাশ ঘটে শাসক শ্রেণী (যারা একইসাথে রাষ্ট্র, ও কলকারখানা নিয়ন্ত্রণ করে) এবং শ্রমজীবী শ্রেণী (যাদের জীবিকার একমাত্র উপায় পুঁজিপতির কারখানায় ন্যুনতম মজুরির বিনিময়ে শ্রম বেচা), তাদের মাঝে।

মার্ক্স আরও বলেন, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে শ্রমিক শ্রেণি যে পরিমাণ নতুন মূল্যের সৃষ্টি করে তার ভগ্নাংশই মাত্র তারা মজুরি বাবদ পান, উদ্বৃত্ত সিংহভাগ অংশ পুঁজির মালিকগণ আত্মসাৎ করে ফেলেন।

দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ অনুসরণ করে মার্ক্স দাবি করেন যে পূর্বতন সমাজব্যবস্থাগুলোর মতো পুঁজিবাদও তার অন্তঃস্থ বিভেদ ও শ্রেণী সংগ্রামের দরুন ভেঙে পড়বে এবং সমাজতন্ত্রের জন্ম হবে। তিনি মনে করতেন, অস্থিতিশীল ও সঙ্কটপ্রবণ পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় ক্রমাগত শ্রেণি সংগ্রামের ভিতর দিয়ে মজলুম শ্রমজীবী শ্রেণির মাঝে শ্রেণিচেতনার জন্ম হবে; যার ফলে তাদের মাঝে ঐক্য গড়ে উঠবে এবং এই ঐক্যবদ্ধ শ্রমজীবী শ্রেণি জালেম শাসক শ্রেণিকে ক্ষমতাচ্যুত করে শ্রেণিহীন কওমী সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলবে। 

মার্ক্স মনে করেন, বিদ্যমান পুঁজিবাদী জালেমী ব্যবস্থার অবসান করতে এবং নিজেদের মুক্তির খাতিরে মজলুম শ্রমজীবী শ্রেণিগুলোর ঐক্যবদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বিপ্লবের বিকল্প নেই।

মার্ক্সের পারিবারিক জীবন

কার্ল মার্ক্স প্রুশিয়া সাম্রাজ্যের নিম্ন রাইন প্রদেশের অন্তর্গত ট্রায়ের নামক স্থানে এক ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পরিবারের নয় সন্তানের মধ্যে মার্ক্স ছিলেন তৃতীয়। বাবা হাইনরিশ মার্ক্স এমন এক বংশের লোক যে বংশের পূর্বপুরুষেরা রাব্বি ছিলেন। অবশ্য তাদের মধ্যে অতিবর্তী ঈশ্বরবাদ এবং আলোকময়তার যুগের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। তাদের অনেকেই ভলতেয়ার ও রুসোর মত দার্শনিকদের প্রশংসা করতেন। কার্ল মার্ক্সের মায়ের নাম হেনরিয়েট নী প্রেসবার্গ (১৭৮৮-১৮৬৩)।

জন্মের সময় হাইনরিশ মার্ক্সের নাম ছিল হারশেল মরদেচাই, তাঁর বাবার নাম লেভি মরদেচাই এবং মা'র নাম ইভা লো (১৭৫৩-১৮২৩)। ইহুদি পরিবারেই হাইনরিশের জন্ম, কিন্তু ধর্মের কারণে আইন অনুশীলনে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় তিনি ইহুদি ধর্ম ত্যাগ করে লুথারীয় মতবাদে দীক্ষা নেন। লুথারীয় ধর্ম তখন প্রুশীয় সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রীয় প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্ম ছিল, তাই সেই রোমান ক্যাথলিক সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রে লুথারীয় সংখ্যালঘু হিসেবে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা লাভের আশায়ই তিনি এভাবে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন।

মার্ক্সের শিক্ষাজীবন 

১৩ বছর বয়স পর্যন্ত বাড়িতেই লেখাপড়া করেন মার্ক্স। বাল্যপাঠ শেষে ট্রায়ের জিমনেশিয়ামে ভর্তি হন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে সেখান থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। এরপর ইউনিভার্সিটি অফ বন-এ আইন বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। মার্ক্সের সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে পড়ার ইচ্ছা থাকলেও তাঁর বাবার ধারণা ছিল তিনি নিজেকে স্কলার হিসেবে প্রস্তুত করতে পারবেন না। এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েই মার্ক্সকে বার্লিনের হামবোলডট ইউনিভার্সিটিতে বদলি হতে হয়। 

সে সময় মার্ক্স জীবন নিয়ে কবিতা ও প্রবন্ধ লিখতেন, তাঁর লেখার ভাষা ছিল বাবার কাছ থেকে পাওয়া ধর্মতাত্ত্বিক তথা অতিবর্তী ঈশ্বরবাদের ভাষা। এ সময়ই তরুণ হেগেলিয়ানদের নাস্তিকতাবাদ গ্রহণ করেন। ১৮৪১ সালে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। তার পিএইচডি'র বিষয় ছিল "প্রকৃতি সম্বন্ধে ডেমোক্রেসিয় ও এপিকিউরিয়ান দর্শনের মধ্যে পার্থক্য" (The Difference Between the Democritean and Epicurean Philosophy of Nature)।

উল্লেখ্য, পিএইচডি অভিসন্দর্ভ তিনি বার্লিনের বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা না দিয়ে ইউনিভার্সিটি অফ জেনা-তে জমা দেন। কারণ তরুণ হেগেলিয়ান র‌্যাডিকেল হওয়ার কারণে বার্লিনে তার ভাবমূর্তি ভাল ছিল না।

শিক্ষাজীবন শেষে রাইনল্যান্ডের যুবকদের দ্বারা পরিচালিত ‘রাইন অঞ্চলের সংবাদপত্র’ নামক পত্রিকায় যোগ দেন মার্ক্স। এই পত্রিকারই সম্পাদক হিসেবে তিনি নিযুক্ত হন ১৮৪২ সালে। সম্পাদক হিসেবে যোগ দেয়ার পর থেকেই ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে কাগজটির প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন সরকার পত্রিকাটি বন্ধ করে দেন। এই সময় মার্ক্স অর্থশাস্ত্রের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তার পাঠ নেওয়া শুরু করেন।

বিয়ে পরবর্তী জীবন 

১৮৪৩ সালে প্রেমিকা জেনি ভন ভেস্তফানেলকে বিয়ে করে প্যারিসে চলে আসেন মার্ক্স। প্যারিস থেকেই অপরিসীম দারিদ্র ও ইউরোপীয় শক্তিশালী রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেন তিনি। মার্ক্সের এই সংগ্রামে তার পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ান তার অকৃত্রিম বন্ধু ও সহযোগী ফ্রেডরিক এঙ্গেলস। 

মার্ক্স

স্ত্রী জেনির সাথে কার্ল মার্ক্স (ছবি: সংগৃহীত) 

১৮৪৫ সালে প্রাশিয়ার সরকারের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে প্যারিস থেকে পরিবার সমেত বিতাড়িত হতে হয় মার্ক্সকে। এ সময় তিনি ব্রাসেলসে চলে যেতে বাধ্য হন।  

১৮৪৭ সালে মার্ক্স ও এঙ্গেলস কম্যুনিস্ট লিগে যোগ দেন এবং সেই বছরই এঙ্গেলসের সহযোগিতায় যৌথভাবে রচনা করেন শ্রমিক শ্রেণীর অমোঘ হাতিয়ার 'দ্য কমিউনিস্ট ম্যানুফেস্ট' (The Communist Manifesto)। এছাড়া তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো হলো- ক্রিটিক অব হেগেলস ফিলসফি অব রাইট (১৮৪৩), ইকোনমিক অ্যান্ড ফিলসফিক ম্যানাসক্রিপ্টস (১৮৪৪), দ্য হলি ফ্যামিলি (১৮৪৫), থিসিস অন ফয়েরবাক (১৮৪৫), দ্য জার্মান ইডিওলজি (১৮৪৫), দ্য কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো (১৮৪৮), ক্রিটিক অব দ্য গোথা প্রোগ্রাম (১৮৭৫), দ্য ভেরি লং ক্যাপিটাল (১৮৬৭-৯৪)। 

চিন্তা ও দর্শনে মার্ক্সের মতবাদ

সমাজ, অর্থনীতি, ও রাজনীতিসংক্রান্ত মার্ক্সের তত্ত্বসমূহ 'মার্ক্সবাদ' নামে পরিচিত। মার্ক্সের ইতিহাস দর্শন 'ঐতিহাসিক বস্তুবাদ' বলে পরিচিত।

মার্ক্স বিশ্বাস করতেন, মানুষের প্রকৃতিগত স্বভাবের মতো নমনীয় আর কিছু নেই। ‘থিসিস অন ফয়েরবাখ’ (Theses on Feuerbach) গ্রন্থে তিনি লিখেছেন, ‘সামাজিক সম্পর্কগুলোর যূথবদ্ধতাই মনুষ্যচরিত্রের সার।’

তিনি বলেন, ধরা যাক, সমাজের অর্থনৈতিক কাঠামো বদলে ফেলার মাধ্যমে আপনি সামাজিক সম্পর্কগুলো পাল্টে দিলেন এবং পুঁজিবাদী ও শ্রমিকদের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক বিলুপ্ত করে দিলেন; তাহলে দেখা যাবে পুঁজিবাদী সমাজে বেড়ে ওঠা মানুষের চেয়ে এই নতুন সমাজের মানুষ একেবারে আলাদা ধরনের হয়ে উঠেছে।

দার্শনিক হেগেলের মতে, মানব চেতনার মুক্তিই ইতিহাসের অভীষ্ট লক্ষ্য। হেগেল মনে করেন, যখন আমরা সবাই উপলব্ধি করতে পারব যে আমরা বিশ্বজনীন মানবসত্তার একেকটি অংশ, তখনই সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে। মার্ক্স হেগেলের ‘আদর্শিক’ ব্যাখ্যাটিকে এমন একটি ‘বস্তুগত’ আদর্শে রূপান্তরিত করেছেন, যে আদর্শে আমাদের জাগতিক বস্তুগত অভাব মেটানোর সন্তুষ্টিই ইতিহাসের চালিকাশক্তি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং যে আদর্শে একমাত্র শ্রেণিসংগ্রামকেই মুক্তি অর্জনের পথ মনে করা হয়। শ্রমিক শ্রেণিই হবে বিশ্বজনীন মুক্তির হাতিয়ার; কারণ এই আদর্শ ব্যক্তিগত সম্পদের ধারণাকে অস্বীকার করে এবং যৌথ মালিকানাভিত্তিক উৎপাদনের পথ দেখিয়ে দেয়।

মার্ক্স মনে করতেন, যখন কর্মীরা যৌথ মালিকানাভিত্তিক উৎপাদনে আত্মনিয়োগ করবে, তখন মার্ক্সের ভাষায় ‘সহযোগিতামূলক সম্পদের ঝরনাধারা’ ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পদ যে গতিতে ছড়ায়, তার চেয়ে অনেক বেশি পর্যাপ্ত আকারে সমাজে প্রবাহিত হবে।

মার্ক্সের ধারণাগুলো তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় জনপ্রিয়তা না পেলেও পরবর্তী সময়ে সমগ্র বিশ্ব জুড়েই ব্যাপক আলোচিত হয়। পশ্চিমা পুঁজিবাদ নিয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী এবং রক্ষণশীল। মৃত্যুর অনেক বছর পর থেকে শুরু করে বর্তমান সময়েও মার্ক্স প্রবর্তিত ধারণাগুলো নিয়ে আলোচক-সমালোচকদের আগ্রহের কমতি নেই। 

মার্ক্সের মৃত্যু

১৮৮১ সালের ডিসেম্বরে জেনি মারা যাওয়ার পর মার্ক্স এক ধরনের মস্তিষ্কের সমস্যায় আক্রান্ত হন। এই রোগ তাকে জীবনের শেষ ১৫ মাস অসুস্থ করে রাখে। এটি পরবর্তীতে ব্রঙ্কাইটিস ও সব শেষে প্লুরিসিতে পরিণত হয়। এই অসুখে ভুগেই ১৮৮৩ সালের ১৪ই মার্চ মৃত্যু হয় বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা কার্ল মার্ক্সের।

মৃত্যুর সময় মার্ক্সের কোন জাতীয়তা তথা দেশ ছিল না, তাকে ১৭ মার্চ লন্ডনের হাইগেট সেমিটারিতে সমাহিত করা হয়। তাঁর সমাধি ফলকে দুটি বাক্য লেখা আছে। প্রথমে লেখা, কমিউনিস্ট মেনিফেস্টোর শেষ লাইন "দুনিয়ার মজদুর এক হও" (Workers of all land unite), এরপরে লেখা ১১তম থিসিস অন ফয়ারবাখ-এর এঙ্গেলীয় সংস্করণের বিখ্যাত উক্তি, "এতোদিন দার্শনিকেরা কেবল বিশ্বকে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যাই করে গেছেন, কিন্তু আসল কাজ হল তা পরিবর্তন করা" (The Philowophers have only interpreted the world in various ways - The point however is to change it)।

মার্ক্স

দ্বিতীয় দফার হামলায় স্মৃতিস্তম্ভে লাল রঙে লেখা ‘বিদ্বেষের প্রচারক’ ও ‘গণহত্যার স্রষ্টা’ (ছবি: সংগৃহীত)

১৯৫৪ সালে গ্রেট ব্রিটেনের কমিউনিস্ট পার্টি কার্ল মার্ক্সের সমাধিতে একটি সৌধ স্থাপন করে যার শীর্ষে আছে মার্ক্সের মুখমণ্ডলের ভাস্কর্য। লরেন্স ব্র্যাডশ এই মুখাবয়বটির স্থপতি। প্রকৃত সমাধিটি সমতল। 

সম্প্রতি কার্ল মার্ক্সের সমাধি ফলকের উপর দুই দফায় হামলা করা হয়। হাতুড়ির আঘাতে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা হয় তাঁর সমাধিস্তম্ভ। এছাড়াও স্মৃতিস্তম্ভের উপর লাল রঙে ‘বিদ্বেষের প্রচারক’ ও ‘গণহত্যার স্রষ্টা’ লিখে যায় দুর্বৃত্তরা। 

এ ঘটনার আগেও ১৯৭০-র দশকে এই স্মৃতিস্তম্ভটি বোমা দিয়ে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তখন সে হামলাটি সফল হয়নি। এরপরে আবারও রঙ দিয়ে বিকৃত করার চেষ্টা করা হয়েছিল স্মৃতিস্তম্ভটি।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া

ওডি/এএন 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড