• বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬  |   ৩১ °সে
  • বেটা ভার্সন

সাইক্লোন, হারিকেন ও টাইফুন : কোনটি বেশি ভয়ঙ্কর?

  অধিকার ডেস্ক

০১ মে ২০১৯, ২২:৫৩
সাইক্লোন
ছবি : প্রতীকী

প্রতিবছর সারা বিশ্বে প্রায় ৮০টির মতো বড় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় সমুদ্রে। তবে এর অধিকাংশই সাগরেই নিঃশেষ হয়ে যায়। আর যেসব ঝড় উপকুলে আঘাত করে সেগুলো বেশ প্রলঙ্করী হয়ে থাকে। এসব ঝড়ে বেশ ক্ষয় ক্ষতি হয়ে থাকে মানুষের। প্রতিটা দেশে এইসব ঘূর্ণিঝড় ভিন্ন ভিন্ন নামে চিহ্নিত হয়ে থাকে।

কখনো সাইক্লোন, কখনো হারিকেন আবার কখনোবা টাইফুন নামে ডাকা হয় এইসব ঝড়কে। প্রচণ্ড শক্তিশালী এই সবগুলো ঝড়েরই জন্ম সাগর কিংবা মহাসাগরে। তারপরও এদের আলাদা আলাদা নাম কেন? কেন আমেরিকা অঞ্চলে ঝড়কে বলা হয় হারিকেন, জাপান কিংবা চীনের দিকে বলা হয় টাইফুন। আবার ভারত অঞ্চলে সেই সামুদ্রিক ঝড়কেই ডাকা হয় সাইক্লোন নামে। কিন্তু কেন তাদের পরিচয় আলাদা? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

মূলত সাগরে সৃষ্ট এই ঝড়গুলো একই। তেমন বিশেষ পার্থক্য নেই। একেক অঞ্চলে একেক নামে ডাকা হয় এই যা। তবে যদি কোন নিম্নচাপ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার গতিবেগ অর্জন করে, তখন সেটি আঞ্চলিক ঝড় বলে মনে করা হয়। কেবল তখনই সেটির নাম দেয়া হয়। কিন্তু সেই ঘূর্ণিঝড়টিই যদি ঘণ্টায় ১১৯ কিলোমিটার বা ৭৪ মাইল গতিবেগ অর্জন করে, তখন সেটিকে হারিকেন, টাইফুন বা সাইক্লোন নামে ডাকা হয়।

পৃথিবীর মহাসাগরগুলোর ওপর নির্ভর করে এইসব ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়ে থাকে। দক্ষিণ গোলার্ধে যেসব সাগর বা মহাসগর রয়েছে সেগুলোতে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় সাইক্লোন। ভারত মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ অংশ এই অঞ্চলের মধ্যে পড়ে। যেসব দেশে ঘূর্ণিঝড় হলে সেগুলোকে সাইক্লোন ডাকা হয় সেগুলো হচ্ছে : বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, আফ্রিকা অঞ্চলের দেশ সমুহ।

আবার হারিকেন বলা হয় আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশ সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়কে। এই নামের ঘূর্ণিঝড় বলয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কানাডা, যুক্তরাজ্য, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ইত্যাদি দেশগুলোর অবস্থান।

আর প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশ যে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় তাকে ডাকা হয় টাইফুন নামে। টাইফুনের আওতায় জাপান, চীন, তাইওয়ান, ফিলিপাইনসহ পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশগুলো অবস্থিত।

তবে এইসব ঘূর্ণিঝড়কে মাপা হয় মাত্রা দিয়ে। পাঁচটি মাত্রা পর্যন্ত মাপা হয় এসব ঝড়কে। ঘণ্টায় ২৪৯ কিলোমিটার গতিবেগ অর্জন করলে সেটির সর্বোচ্চ ৫ মাত্রার ঝড় হিসেবে গণ্য করা হয়।  তবে ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা নির্ধারণে অস্ট্রেলিয়া ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকে। 

ওডি/এসএম 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড