• শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ৬ বৈশাখ ১৪২৬  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন

ছবিতে সোনারগাঁ লোক ও কারুশিল্প মেলা

  অধিকার ডেস্ক    ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৪:৫৫

কারুমেলা
গ্রাম্য মেলা মানেই রঙিন হাঁড়ি। ছোট ছোট মাটির হাঁড়ির গায়ে নিখুঁত কারুকাজ আঁকা। 

সুবিশাল মাঠ জুড়ে ছোট ছোট দোকান। প্রতিটি দোকানের পণ্যের যেন আলাদা সৌন্দর্য। দোকানে বসেই কেউ তাঁত বুনছেন, কেউবা গড়ছেন মাটির হাঁড়ি, কেউ কেউ রঙের আলপনা আঁকছেন মাটির হাঁড়ি আর বাঁশের গায়ে। শুধু কী তাই? কেউ পিতলের গয়নায় নকশা তুলছেন, কেউবা নকশী কাথায় ফোড় তুলছেন আপন মনে।

বাংলার ঐতিহ্য আর শেকড়ের কথা বললেই যে জিনিসগুলো চোখের সামনে ভেসে ওঠে সে জিনিসগুলোর সবগুলোই রয়েছে চোখের সামনে। বলছিলাম, সোনারগাঁয়ের লোক ও কারুশিল্পের মেলার কথা। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী আর নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী জামদানীর সমাহার যেখানে মুগ্ধ করছে দর্শনার্থীদের।

একটা সময়, মৃৎ শিল্প, কাঁসা শিল্প, কাঠের খোঁদাই করার শিল্প এসব ছিল মানুষের জীবিকা নির্বাহের পথ। এসব পেশায় জড়িত ছিলেন অসংখ্য মানুষ। সময়ের পরিবর্তনে আর লোকজীবনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় এসব শিল্পের কারুকার্য আর নকশার কদর খুব একটা চোখে পোড়ে না। কুমার পাড়া, কামার বাড়ি, মৃৎ শিল্পীদের বাড়ির ওঠোন জুড়েও তাই দেখা যায় না ব্যস্ততা।

তবুও বাপ দাদাদের পেশাকে ধরে রাখতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন এসব কারু শিল্পীরা। ঐতিহ্যবাহী এ শিল্প যাতে একেবারে হারিয়ে না যায় সে লক্ষেই প্রতিবছরের মতো এবারও নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরে ১৫ জানুয়ারি থেকে মাসব্যাপী শুরু হয়েছে লোককারু শিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব।

আলোকচিত্রী আল আমীন পাটওয়ারীর ক্যামেরায় চলুন দেখে আসা যাক এই গ্রামীণ মেলার কিছু স্থির চিত্র-

কারুমেলা

কাঠের পুতুল, পালকি, ঘোড়া, বাঘ সবই আছে। সঙ্গে রয়েছে নানা রঙের সুতার বাহারি নকশার হাত পাখা। দোকানে বসেই চলছে কাজ।

কারুমেলা

মাটির হাঁড়িতে আঁকা হচ্ছে নকশা