• শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন

ফেসঅ্যাপের মতো প্রযুক্তি খুঁজে দিল হারানো সন্তানকে

  ভিন্ন খবর ডেস্ক

২৬ জুলাই ২০১৯, ১৭:৫৬
ইউ ওয়েইফেঙ
শিশু ইউ ওয়েইফেঙ (ছবি : সংগৃহীত)

ফেসঅ্যাপের মতো প্রযুক্তির সাহায্যে ১৮ বছর পর নিখোঁজ ছেলেকে খুঁজে পেলেন বাবা-মা। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বেশি বয়সের সম্ভাব্য ছবি তৈরি করে খোঁজ চালিয়ে সাফল্য পেল পুলিশ।

২০০১ সালের ৬ মে হারিয়ে যায় ৩ বছরের এক শিশু। শিশুটির বাবা একটি নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ে মিস্ত্রির কাজ করতে যাওয়ার সময়ে তাকে সঙ্গে নিয়েছিলেন। বিল্ডিংয়ের সামনের মাঠে শেষবার খেলা করতে দেখা যায় তাকে। শিশুটি তখন অপহরণের শিকার হয়। কাজ শেষে বিল্ডিংয়ের বাইরে বেরিয়ে শিশুকে দেখতে পাননি তার বাবা। এরপর হন্যে হয়ে খোঁজ করেন তার বাবা-মা। পুলিশে ডায়েরি করেও কোনো সুরাহা হয়নি।

ঘটনাটি চীনের গুয়াংজু শহরের। হারিয়ে যাওয়া শিশুর নাম ইউ ওয়েইফেঙ। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা মেট্রো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গুয়াংজু পুলিশ জানিয়েছে, সে সময়ে বহু চেষ্টা করেও ইউ-এর খোঁজ পায়নি পুলিশ। সম্প্রতি ফেসঅ্যাপের জনপ্রিয়তা বাড়ার পর নতুন বুদ্ধি আসে পুলিশের মাথায়। বানানো হয় ফেসঅ্যাপের মতো বয়সের সঙ্গে মুখের আদল বদলের প্রযুক্তি। এরপর এই ধরনের কেসগুলো আবার নতুন করে খোলে পুলিশ। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইউ-এর ৩ বছর বয়সের একটি ছবি থেকে ২১ বছর বয়সের মুখের ধারণা করা হয়। তার পরে গুয়াংজু-এর আশপাশের শহরগুলোতে খোঁজ চালায় পুলিশ। পুলিশের ডাটাবেস থেকে ওই মুখের আদলের সঙ্গে মিল আছে এমন প্রায় ১০০ জন ২১ বছর বয়সী যুবককে প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়। চুলচেরা বিশ্লেষণের পর তার মধ্যে একজনকে আলাদা করে পুলিশ। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ডিএনএ টেস্ট করে জানা যায়, এই যুবকই ১৮ বছর আগে নিখোঁজ হওয়া ইউ।

এ দিকে এই ১৮ বছর পালক মা-বাবার কাছে দত্তকপুত্র হিসেবে বেড়ে উঠেছে সে। পালক মা-বাবার পদবী লি ব্যবহার করে সে। প্রথমে পুলিশের দাবি বিশ্বাসই করতে পারেনি যুবক। তারপর ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট আসার পর কান্নায় ভেঙে পড়ে সে।

২০ জুলাই এক আবেগঘন মুহূর্তে মা-বাবার সঙ্গে ১৮ বছর পর দেখা হয় তার। ছেলেকে এভাবে ফিরে পাবেন কখনো ভাবেননি ইউ-এর মা বাবা। ছেলেকে পেয়ে আনন্দে কেঁদে ফেলেন তারা।

সংবাদমাধ্যমকে ইউ-এর বাবা বলেন, এভাবে ফিরে পাব ভাবিনি। ওকে যত্ন করে বড় করার জন্য ওর পালক মা-বাবাকে ধন্যবাদ। ওর এখন দুটো বাবা। ওর আরেক বাবা আজ থেকে আমার ভাই।

ওডি/এমআর

আপনার চোখে পড়া অথবা জানা অন্যরকম অথবা ভিন্ন স্বাদের খবরগুলোও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড