• সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

নিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের দুই শর্ত||এ পি জে আব্দুল কালামের স্মৃতিতে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী  ||উদ্বেগ থাকলেও ভারতের ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ||ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি ঢাকতেই ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ : রিজভী ||কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের অভিযোগে সীমান্তে‌ হাই অ্যালার্ট||ভারতের পর এবার বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের||সোমবার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেবেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক||মেক্সিকোয় কুয়া থেকে ৪৪ মরদেহ উদ্ধার করল বিজ্ঞানীরা||অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : কাদের    ||সৌদির তেল স্থাপনাতে হামলায় ইরানকে দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র

কন্যা সন্তানকে ভাবা হয় আশীর্বাদ, জন্মালেই লাগানো হয় ১১১ গাছ!

  ভিন্ন খবর ডেস্ক

২৫ মে ২০১৯, ১১:৫৩
কন্যা সন্তান
গাছ লাগাচ্ছেন গ্রামের কয়েকজন; (ছবি- ইন্টারনেট)

দেশ অনেক এগিয়ে গিয়েছে ঠিকই, তবুও অনেক পরিবারের পুত্র সন্তানকে দেখা হয় বংশের প্রদীপ হিসেবে। কন্যা সন্তানের জন্মে সে সব পরিবারের কারও মুখে ফোটে না হাসি। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এখনো অনেক অঞ্চলে ঘটে কন্যাভ্রুণ হত্যার মতো ঘটনা। 

তবে এসবের মাঝেই অন্যরকম এক আলোর দিশা দেখাচ্ছে রাজস্থানের পিপালান্ত্রী গ্রাম। এ গ্রামে কন্যা সন্তান জন্মানো কোনো অপরাধ নয়, বরং আশীর্বাদ। আর সেই আশীর্বাদকে রীতিমত উৎসবের মাধ্যমে উদযাপন করে তারা। 

জানা যায়, পিপালান্ত্রী গ্রামে কোনো কন্যা সন্তান জন্মালে সেই আশীর্বাদকে স্মরণীয় করে রাখতে ১১১টি চারগাছ রোপণ করা হয়। না, ভুল পড়ছেন না, সত্যিই সে গ্রামে কোনো পরিবারে কন্যাসন্তানের জন্ম হলে তারা ১১১টি গাছ লাগান। দারুণ এ কাজে পরিবেশ যে উপকৃত হচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

এই প্রথা চালু হওয়ার পর থেকে এখনো পর্যন্ত প্রায় আড়াই লক্ষ নতুন গাছ লাগানো হয়েছে। কবে থেকে শুরু হলো এই প্রথা? কীভাবেই বা শুরু হলো? জানা যায়, এক গ্রামপ্রধানের কন্যাসন্তান খুবই অল্পবয়সে মারা যায়। তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে তিনিই চালু করেছিলেন এই প্রথা, যা সুফল দিয়ে চলেছে এবং ভবিষ্যতেও দিতে থাকবে।

কন্যাসন্তানদের জন্ম উদযাপন করতে একটি তহবিল গঠন করেছে ওই গ্রামের বাসিন্দারা। এখানে কন্যার জন্ম হলেই পরিবারের তরফ থেকে ৩১,০০০ টাকা ২০ বছরের জন্য লগ্নি করা হয়। বাবা মা যেন মেয়েকে বোঝা মনে না করেন সে উদ্দেশ্যেই এই লগ্নি। 

এই তহবিলের অংশীদার হলে আরও দুটি বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে যায় পরিবার। এক, প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দিতে পারবেন না তারা এবং দুই বিয়ে দেওয়ার আগে মেয়েকে সঠিক শিক্ষাদান করতে হবে। 

কেবল গাছ লাগিয়েই থেমে থাকেন না গ্রামবাসী। নিয়মিত করেন পরিচর্যা। উইপোকার হাত থেকে রক্ষা করতে গাছের চারপাশে ঘৃতকুমারী গাছ লাগান তারা। লাগানো গাছের বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে নানারকম পণ্য তৈরি করে অনেকেই জীবিকা নির্বাহও করছে। 

ওডি/এনএম

আপনার চোখে পড়া অথবা জানা অন্যরকম অথবা ভিন্ন স্বাদের খবরগুলোও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড