• সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

নিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের দুই শর্ত||এ পি জে আব্দুল কালামের স্মৃতিতে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী  ||উদ্বেগ থাকলেও ভারতের ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ||ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি ঢাকতেই ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ : রিজভী ||কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের অভিযোগে সীমান্তে‌ হাই অ্যালার্ট||ভারতের পর এবার বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের||সোমবার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেবেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক||মেক্সিকোয় কুয়া থেকে ৪৪ মরদেহ উদ্ধার করল বিজ্ঞানীরা||অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : কাদের    ||সৌদির তেল স্থাপনাতে হামলায় ইরানকে দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র

চট্টগ্রাম-১০ আসনে কোদাল প্রতীকে একটি ভোটও পড়েনি 

সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারূফ রুমী
চট্টগ্রাম-১০ আসনে কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারূফ রুমী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী) আসনে কোদাল মার্কায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জোটের গণসংহতি আন্দোলন থেকে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারূফ রুমী।

প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণায়ও কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মাঠে ছিলেন তিনি। তার আসনের বিভিন্ন এলাকায় ব্যানার, পোস্টার ও লিপলেট দেখা গেছে চোখে পড়ার মতো। মিডিয়াগুলোও তার নির্বাচনি কার্যক্রমে গুরুত্ব দেয়। তার গণসংযোগ ও মিছিলগুলোতে এলাকার কয়েকটি সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক কর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক কর্মী থেকে শুরু করে অনেক আইনজীবীদেরও উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। 

কিন্তু বিচিত্র ব্যাপার হলো তার নির্বাচনি আসনের কোনো কেন্দ্রে কোদাল মার্কায় একটি ভোটও পড়েনি। একটি ভোটও না পাওয়ায় এই প্রার্থী এখন ভিন্নমাত্রিক আলোচনায় উঠে এসেছেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারূফ রুমী দৈনিক অধিকারকে বলেন, ফলাফল ঘোষণার পর থেকে একটির পর একটি ফোন আসছে। আমাদের দলের বাইরে আমার পরিচিত আত্মীয় বন্ধু-বান্ধব থেকে শুরু করে অনেক অচেনা ভোটাররাও আমাকে ফোন দিচ্ছে আর জানতে চাচ্ছে এর কারণ কি? সবার একটি প্রশ্ন, আমাদের ভোট গেল কোথায়? অনেক কেন্দ্র থেকে আমাদের এজেন্টেদের সকালেই বের করে দিয়েছে। অনেকগুলো কেন্দ্রে আমাদের এজেন্ট ছিল। তারা বেশ ভালোই কোদাল প্রতীকে ভোট কাস্ট করেছে।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকে আমাদের অনেক ভোটারকে ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দিয়েছে। কোদাল প্রতীকে ভোট পড়ার পরও ফলাফল শূন্য। এর অর্থ হচ্ছে, ভোট গণনা হয়নি। 

তিনি পুনঃনির্বাচন চেয়ে বলেন, এই নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। সকাল থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভোট কেন্দ্র দখল করে বসে ছিল। সব কেন্দ্রে তারা জোরপূর্বক নৌকা প্রতীকে সিল মেরে বাক্স ভরাট করেছে। আবার কোনো কোনো কেন্দ্রে আগের দিন রাতেই নৌকা প্রতীকের বাক্স ভরাট করেছে তারা। 

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-১০ আসনে ১১৭ কেন্দ্রের মোট ভোট ছিল ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৩১৪। এই আসনে নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ প্রার্থী আফছারুল আমিন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী পেয়েছেন ৪১ হাজার ৩৯০ ভোট। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী কাজী মো. ইউসুফ আলী চৌধুরী আম প্রতীকে পেয়েছেন ৩২১ ভোট, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের প্রার্থী আতিউল্লাহ ওয়াসীম টেলিভিশন প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩১ ভোট, হাতপাখা প্রতীকে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জান্নাতুল ইসলাম পেয়েছেন ২ হাজার ৯৭৪ ভোট, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের প্রার্থী মহিন উদ্দিন পেয়েছেন ১৯৯ ভোট এবং সিংহ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবিনা খাতুন পান ৪৫৩ ভোট। 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড