• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ আশ্বিন ১৪২৭  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

শিক্ষা ক্যালেন্ডারে আসছে বড় পরিবর্তন

  শিক্ষা ডেস্ক

২৮ জুন ২০২০, ১৭:৩৬
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
ছবি : সংগৃহীত

করোনাভাইরাস সংক্রমণ শিক্ষা ক্যালেন্ডারের সব হিসেন উল্টে দিয়েছে। গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হলেও কবে খুলবে তা জানা নেই কারোর। ক্ষতি পোষাতে অনলাইনে ও টেলিভিশনে ক্লাস সম্প্রচারিত হলেও তা সফল বলতে পারছেন না অনেকে। অনেক দেরিতে প্রকাশিত হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। পিছিয়ে গেছে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম।

এদিকে স্কুল-কলেজে প্রথম, দ্বিতীয় সাময়িক ও অর্ধ-বার্ষিকী পরীক্ষাও হয়নি। এখন অনিশ্চতায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। জেএসসি, জেডিসি, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরীক্ষাও অনিশ্চিত। এ অবস্থায় নানা ধরনের বিকল্প নিয়ে কাজ করার কথা একাধিকবার জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টরা। তবে করোনা পরিস্থিতি আপাতত ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা দেখা না যাওয়ায় কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে শিক্ষা ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সে মোতাবেক কমতে পারে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা। আর চলতি শিক্ষাবর্ষ ডিসেম্বরের পরিবর্তে মার্চ পর্যন্ত চলবে। আগামী শিক্ষাবর্ষ হবে ৯ মাসে। অত্যাবশকীয় ছাড়া বাকি সব ছুটি বাতিল করার পরিকল্পনাও চলছে।

শনিবার (২৭ জুন) এডুকেশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত ‘করোনায় শিক্ষার চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব তথ্য জানান। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা কমানো নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে আসার ১৫ দিন পর এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, ‘১৫ দিন আগে শিক্ষার্থীদের নোটিশ দিতে হবে। প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে সময় দিতে হবে। এবারের এইচএসসির সিলেবাস কমানোর যৌক্তিকতা নেই, কারণ তারা তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। এখন যেটা হতে পারে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আবার লাখ লাখ পরিবার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রশাসনের মানুষ, শিক্ষক সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব? আমরা কম সময়ে করতে পারি কি না, কম পরীক্ষা নিতে পারি কি না- সবকিছুই ভাবছি।’

আরও পড়ুন : আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই অ্যাপভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা

শিক্ষাবর্ষের বিষয়ে দীপু মনি বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে কাউকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। কোনো কিছু না পড়িয়েও পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা যাবে না। সেজেন্য ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী মার্চ পর্যন্ত চলতি শিক্ষাবর্ষ বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া ছুটি কমিয়ে শ্রেণি ঘণ্টা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষেও ছুটি কমিয়ে ৯ মাস করা হবে।’

তবে জেএসসি-জেডিসি, প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী সুস্পষ্ট কিছু বলেননি। তিনি বলেন, ‘শুধু পরীক্ষার জন্য সিলেবাস তৈরি হয় না, পরবর্তী ক্লাসে ওঠার জন্য যা শেখা প্রয়োজন তা শেখানো হয়। মূল্যায়নের জন্য বছর শেষে পরীক্ষা হয়। গ্যাপ হয়ে গেলে পরবর্তীতে বিষয়টি তাদের ভোগাবে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা কাজ করছে।’

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড