• বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬  |   ১৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

জোরপূর্বক স্কুল স্থানান্তর, মেলেনি নতুন বই

  শিক্ষা ডেস্ক

১৭ জানুয়ারি ২০২০, ২২:২৭
অভিযোগ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থানান্তর (ছবি : সংগৃহীত)

জোরপূর্বক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত করার অভিযোগ উঠেছে। লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধার পশ্চিম হলদিবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছে এলাকাবাসী। শুধু তাই নয় বই উৎসব শেষ হওয়ার ১৭ দিন পার হলেও এখনো শিক্ষার্থীদের নতুন বই দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। 

গত রবিবার (৫ জানুয়ারি) এ ঘটনায় শিশুদের শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে পড়েছে উল্লেখ করে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক, হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে এলাকাবাসী।

জানা যায়, ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত পশ্চিম হলদিবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদী ভাঙনের কারণে এ পর্যন্ত প্রায় ছয়বার স্থানান্তর করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৭ সালে বিদ্যালয়টি পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। এতদিন সেখানেই পাঠদান চলছিল। সারা দেশের ন্যায় চলতি বছরের শুরুতে বই উৎসবের দিন মাত্র ৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বই বিতরণ করে শিক্ষকরা। তারপর থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যালয়ে বসে থেকে বাড়ি ফিরে যায়। কারণ বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষকও আসেন না, শিক্ষার্থীদের বইও পাওয়া হয় না।

স্থানীরা জানায়, পরিচালনা কমিটির সদস্যরা কোনো কারণ ছাড়াই বিদ্যালয়টি এখান থেকে অন্য স্থানে সরানোর পাঁয়তারা করেছে। তবে স্থানীয়দের বাধায় কিছু আসবাবপত্র ছাড়া আর কোনো কিছু নিয়ে যেতে পারেনি। আর পরিচালনা কমিটির সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষকরাও বিদ্যালয়ে আসেন না। তারা পরিচালনা কমিটির নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শিক্ষার্থী ছাড়াই বসে থেকে সময় পার করে।

এ বিষয়ে পশ্চিম হলদিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আওলাদ হোসেন বলেন, বিদ্যালয়টি আমি স্থানান্তর করি নাই। পরিচালনা কমিটির সভাপতি পাটিকাপাড়া ৬ নং ওয়ার্ড থেকে ৭ নং ওয়ার্ডে বিদ্যালয়টি নিয়ে নির্মাণ করছেন। এখানে আমার করার কিছু নাই। কমিটির লোকজন যেখানে বিদ্যালয় নিয়ে যাবেন আমি সেখানেই যাব।

এ বিষয়ে পশ্চিম হলদিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আয়শা বেগম বলেন, ওই এলাকায় তেমন কোনো শিক্ষার্থী নেই। এছাড়া এত দূরে আসতে কষ্ট হয় শিক্ষকদের। তাই আমরা বিদ্যালয়টি সেখান থেকে এখানে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি।

আরও পড়ুন : বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি

এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিঠুন বর্মণ বলেন, আমরা বিষয়টি অবগত আছি। সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

ওডি/জেআই 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড