• বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ১৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে একমত নয় শিক্ষকরা

  শিক্ষা ডেস্ক

১৩ নভেম্বর ২০১৯, ১৪:৪৩
বাংলাদেশ সরকার
বাংলাদেশ সরকার এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় (ছবি : দৈনিক অধিকার)

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণ পাওয়া ও প্রশিক্ষণবিহীন দুই ধরনের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড হবে ১১তম। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড হবে ১৩তম। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এমন বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত মানেন না আন্দোলনকারী শিক্ষকরা। 

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) অর্থ বিভাগের সম্মতি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন। তিনি বলেন, ‘এখন বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’ 

বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্মতি দিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠিয়েছে। এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মতিসহ প্রস্তাব পেলে এই পদেরও বেতন স্কেল নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।

বর্তমানে প্রশিক্ষণ পাওয়া প্রধান শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকরা ১২তম গ্রেডে বেতন পান। অন্যদিকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা ১৪তম গ্রেডে ও প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকরা ১৫তম গ্রেডে বেতন পান। আর বর্তমানে সহকারী প্রধান শিক্ষকের কোনো পদ নেই।

বেতন গ্রেড ১১তম হলে একজন শিক্ষকের শুরুতে মূল বেতন হবে ১২ হাজার ৫০০ টাকা। আর ১৩তম গ্রেডে শুরুতে একজন শিক্ষকের মূল বেতন হবে ১১ হাজার টাকা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে তারা ঢাকায় সমাবেশ করে আসন্ন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বর্জনেরও হুমকি দিয়েছিলেন।

অবশ্য পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করার পর শিক্ষকরা পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

বেতন বৃদ্ধি বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামছুদ্দিন বলেন, ‘যেভাবে বেতন বৃদ্ধি করার বিষয়ে অর্থ বিভাগ সম্মতি দিয়েছে সেটা তারা মানবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছেন। সাক্ষাৎ হলে প্রধানমন্ত্রী যে বেতন গ্রেড নির্ধারণ করে দেবেন সেটা তারা মানবেন। যদি ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা না করা হয় তাহলে আবারও আন্দোলনের কর্মসূচি দেবেন তারা।’

অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের মার্চে প্রধান শিক্ষকদের চাকরি দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদার ঘোষণা দেন। কিন্তু পদমর্যাদা অনুযায়ী এখনো বেতন গ্রেড ১০ম করা হয়নি।’

ওডি/জেআই

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন সজীব 

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড