• বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২০, ১৫ মাঘ ১৪২৬  |   ১৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

বেরোবিতে ৬ বছরের বকেয়া বেতন পেলেন ৫ কর্মকর্তা

অনিশ্চয়তায় ৫৩ জন

  বেরোবি প্রতিনিধি

০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৬:১৪
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ছবি : সংগৃহীত)

ছয় বছর পর ৪৪ মাসের বকেয়া বেতন পেয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) পাঁচ কর্মকর্তা। বাকি ৫৩ জন কর্মচারী ৪৪ মাসের এই বকেয়া বেতনের জন্য অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।

রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বরাবর আবেদনের প্রেক্ষিতে বকেয়া অর্থ তাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে জমা হয়।

বকেয়া বেতন প্রাপ্ত পাঁচ কর্মকর্তা হলেন- ডক্টর ওয়াজেদ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সায়েন্টিফিক অফিসার আবু সায়েম মো. আহসান হাবীব, সেকশন অফিসার (গ্রেড-১) তৌহিদুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের সেকশন অফিসার (গ্রেড-২) রফিকুল ইসলাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সেকশন অফিসার (গ্রেড-২) গোলাম নূর ও ইংরেজি বিভাগের সেকশন অফিসার (গ্রেড-২) ওবায়দুর রহমান।

জানা যায়, ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল এই চার মাসের বেতন পেলেও মে মাস থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত মোট বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত ৫৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর ৪৪ মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়নি । পরে ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে পুনরায় তাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়। এ ব্যাপারে তারা কয়েকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এবং বর্তমান উপাচার্য, রেজিস্ট্রারের সঙ্গে মৌখিক এবং লিখিতভাবে আবেদন করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২তম সিন্ডিকেটে তাদের বকেয়া পরিশোধ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ দিকে, ৫৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পাঁচ কর্মকর্তা বকেয়া বেতন পেলেও বাকি ৫৩ জন কর্মচারী অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। ৪৪ মাসের বকেয়া বেতনসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। 

কর্মচারীদের বকেয়া বেতনের বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্যের বরাত দিয়ে জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী প্রশাসক তাবিউর রহমান প্রধান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় কর্মকর্তাদের ৪৪ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। আন্দোলন প্রত্যাহার করলে কর্মচারীদের বকেয়া পরিশোধ করতেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্তরিক।’

তবে কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি নুর আলম বলেন, ‘আমরা বর্তমানে চার দফা দাবিতে আন্দোলন করছি। ৪৪ মাসের বকেয়া বেতন তার মধ্যে একটি। বাকিগুলোর বিষয়ে নিশ্চয়তা না পেলে আন্দোলন থেকে কিভাবে সরে আসি?’  

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জলীল মিয়ার সময়কালে ইউজিসির অনুমোদন ছাড়াই ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে ৩৩৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অ্যাডহকের ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়। পরে তাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে সংকট দেখা দেয়। এই ৩৩৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করে সে সময়ের চলমান সংকট নিরসন করার জন্য ইউজিসি কর্তৃক ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। সেই টাকা দিয়ে ২৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হলেও বাদ পড়ে যায় এই ৫৮ জন।

ওডি/এসএসকে

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড