• শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২৬ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

১৫ দফা দাবিতে অবরুদ্ধ চুয়েট

  চুয়েট প্রতিনিধি

২৫ জুন ২০১৯, ১৩:৫২
চুয়েট
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অবরুদ্ধ করে রেখেছে আন্দোলনকারীরা (ছবি : দৈনিক অধিকার)

খাবারের মানোন্নয়ন, বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধান, পরীক্ষার খাতায় কোডিং চালু, সুপার শর্ট চালু, যানবাহন বৃদ্ধিসহ ১৫ দফা দাবিতে আজ ৩য় দিনের মতো ক্লাস বর্জন করেছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে ক্লাস-ল্যাব বর্জন করে স্বাধীনতাচত্বরে জড়ো হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক অবরুদ্ধ করে রাখে। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে তাদের দাবি দাওয়া সম্বলিত বিভিন্ন প্লেকার্ড দেখা যায়।

পরে দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ে বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দিতে দিতে উপাচার্য কার্যালয় ঘেরাও করে।

ছবি

উপাচার্য কার্যালয় ঘেরাও (ছবি : দৈনিক অধিকার)

আন্দোলনরত ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফরহাদ শাহী আফিন্দী জানান, শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে আমাদের ক্যাম্পাস। বাস সংখ্যার অপ্রতুলতার কারণে সারাদিন ল্যাব-ক্লাস করে অনেক শিক্ষার্থীকে দাঁড়িয়ে বাসায় যেতে হয়। প্রশাসনকে অনেক দিন ধরে বলার পরও বাসসংখ্যা ও রুট বৃদ্ধিতে তাদের টনক নড়েনি, শুধু আশ্বাস দিয়েছে। আমরা আর আশ্বাসে বিশ্বাসী নই, আমাদের দাবি দাওয়া পূরণ করে তারপর ক্লাসে ফিরব। এবারের আন্দোলন ঘরে না ফেরার আন্দোলন।

আন্দোলনের ফলে যদি সেশনজট সৃষ্টি হয় তাহলে তার দায়ভার কে নেবে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আন্দোলনরত ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আশফাক তানজীম জানান, অবশ্যই এর দায়ভার প্রশাসনের ওপর বর্তাবে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য চুয়েট প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে আসা হচ্ছিল, কিন্তু প্রশাসন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত আশ্বাস দিয়ে তার প্রতিফলন কখনো দেখানো হয়নি। যেহেতু প্রশাসন বিলম্ব করছে, তাহলে এর দায়ভার প্রশাসনকে নিতে হবে। আর প্রশাসন যে দিনই আমাদের দাবি দাওয়া মেনে নেবে, আমরা ঠিক তারপর দিন ক্লাসে ফিরে যাব।

ছবি

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা (ছবি : দৈনিক অধিকার)

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- খাবারের মানোন্নয়ন ও ভর্তুকি প্রদান, বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধান, বাসের সংখ্যা ও রুট বৃদ্ধি, টার্ম পরীক্ষার খাতায় কোডিং সিস্টেম চালু, সুপার শর্ট ও ইম্প্রুভমেন্ট সিস্টেম চালু করা, দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রধান ফটক নির্মাণ, ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চ নির্মাণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার বাধা ধরা নিয়ম বাতিল, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের উন্নয়ন ও খেলাধুলায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, ক্যাম্পাসে নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ ও কারণ দর্শানো, আবাসিক হলগুলোর উন্নয়ন ও সামঞ্জস্যতা বজায়, মেডিকেল সেন্টার আধুনিকীকরণ, গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ও অযাচিত বন-জঙ্গল পরিষ্কার, চুয়েট হ্রদের সংস্কার ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ, দ্রুততর সময়ের মধ্যে ছাত্র সংসদ নির্বাচন।

আন্দোলনকারীরা জানায়, তাদের এই আন্দোলন দাবি দাওয়া মেনে নেওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য বহাল থাকবে। আন্দোলনের কর্মসূচিতে এখনো পরীক্ষা বর্জন অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

ওডি/আরএআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড