• মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬  |   ৩৩ °সে
  • বেটা ভার্সন

গ্রীষ্মের বাহারি ফুলে রঙিন চবি ক্যাম্পাস

  মাহবুব এ রহমান, চবি প্রতিনিধি ১২ মে ২০১৯, ১৬:২৬

চবি
ক্যাম্পাসের সর্বত্র কৃষ্ণচূড়ার সাম্রাজ্য (ছবি : অনিক গোমস্তা)

প্রকৃতি থেকে বিদায় নিয়েছে ঋতুরাজ বসন্ত। গ্রীষ্মের দাবদাহে যখন জীবনযাত্রা প্রায় স্থবির, ঠিক সে সময় ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ সবকিছু ওলট পালট করে দিতে ছাড়ে হুঙ্কার, কিন্তু সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় এ যাত্রায় রেহাই পায় প্রাণের মাতৃভূমি। তবে এত ভয়ঙ্কর হয়ে আসা ‘ফণী’ কী আর খুব সহজে ছাড়ে! তাইতো হালকা একটু ইঙ্গিত দিয়ে যায় তার শক্তিমত্তার। ফলে প্রায় দুই তিনদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সূর্যালোক পড়ে কম।

ঝিরিঝিরি বাতাস আর আকাশের অভিমান করে গোমড়ামুখে বসে থাকার সঙ্গে থেমে থেমে ছিল বৃষ্টিও। আর সেই বৃষ্টিই যেন নতুন করে জোয়ার আনল আয়তনে দেশের সর্ববৃহৎ ২১শ একরের চির সবুজ ক্যাম্পাস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। শীত এসে যখন সবুজ গাছগুলো করে গেল সবুজ শূন্য। সেই ঝরা গাছে প্রাণ ফিরিয়ে আনল বসন্ত। আর সেই প্রাণে যেন নতুন করে যৌবন সঞ্চার করল এই গ্রীষ্মের ফণীর বৃষ্টি।

চবি

ক্যাম্পাসে ফোটা দৃষ্টিনন্দন সোনালু (ছবি : অনিক গোমস্তা)

দুই দিনের থেমে থেমে মৃদুমন্দ বৃষ্টিতে নতুন কুঁড়ি নিয়ে গ্রীষ্মের রোদে ধুকতে থাকা বৃক্ষরাজি নতুন যৌবন পেয়ে হয়ে ওঠে ঝলমলে। পাশাপাশি পুরো একুশ একর যেন হয়ে ওঠে বাহারি ফুলের স্বর্গরাজ্যে। জারুল, সোনালু এবং কৃষ্ণচূড়ার ঝলকে গাছে গাছে বসে বেগুনি, হলুদ আর লাল রঙের মেলা।