• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

জবি ছাত্রী হলে এক তালাতেই গায়েব ৮০০ টাকা!

  জবি প্রতিনিধি

১৮ মে ২০২২, ১৪:০২
জবি
বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, জবি (ছবি : অধিকার)

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে প্রতি রুমের তালা ফ্রিতে দেওয়া হলেও চাবি বাবদ ৮০০ টাকা নিচ্ছে হল কর্তৃপক্ষ।

পরোক্ষভাবে তালা বাবদ ৮০০ টাকা নেওয়ার পর চাবির দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৮ টি চাবির একই তালা ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তালা-চাবি বাবদ দ্বিগুণ টাকা নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হলের শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, ১৬ তলা বিশিষ্ট হলটিতে কক্ষ আছে ১৫৬টি। প্রতি রুমে ৮ জন করে শিক্ষার্থী থাকেন। একটি রুমে একটি করে তালা ফ্রিতে দেওয়া হলেও রুমের ৮ জনের চাবির জন্য হল কর্তৃপক্ষকে ৮০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। অর্থাৎ চাবির জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। কিন্তু আলিফ প্রিমিয়ারের এই তালাটি ৮ চাবিসহ বাজারে ৩৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির পাশে রায়সাহেব বাজার মোড়ে লাকি স্ক্রুসহ পাশের দোকানগুলোতে ৮টি চাবিসহ একই তালা ৩৫০ টাকা ও ১২ টি চাবিসহ ৪২০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এই অতিরিক্ত দামে তালা-চাবি বাবদ টাকা নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হলের শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, আমরাও বাজার থেকে শুনেছি, তালার দাম এত টাকা না। এক তালায় দ্বিগুণ টাকা নিচ্ছে। এখানেও লাভ করছে। আমাদের বলা হচ্ছে, রুমে তালা ফ্রি, তবে চাবি ১০০ টাকা করে। রুম প্রতি ৮০০ টাকা নিলে তালা ফ্রি বলা অদ্ভুত ব্যাপার। এক ধরণের বাটপারি এটা। শিক্ষার্থীদের ভর্তুকি দেওয়ার বদলে আরও লাভ করছে তালা-চাবি বিক্রি করে।

এ বিষয়ে ওই হলের আবাসিক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিনিয়া আফ্রিন বলেন, তালা-চাবির দাম তো এত টাকা না। হল কর্তৃপক্ষ বলছে তালা ফ্রি। তবে চাবি বাবদ রুমের ৮ জনের কাছে ৮০০ টাকা নিচ্ছে। তালার সাথে তো চাবি এমনিতেই দেয়। এছাড়া চাবি বানাতে গেলে তো এত টাকা লাগে না। তাই এত টাকা নেওয়া সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এই বিষয়ে আমি হল প্রভোস্টের সঙ্গে কথা বলব। এছাড়া ক্যান্টিন পরিষ্কার করা, হলে মেয়েদের গ্যাস চালুর বিষয়ে আমি উনার সাথে কথা বলব। মেয়েদের সমস্যা যেন দ্রুত সমাধান করা যায় সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি।

হলের আবাসিক শিক্ষক ড. শরাবান তোহুরা জানান, তালা-চাবি ক্রয় ও বণ্টনের জন্য একটি আহবায়ক কমিটি আছে। সেটির আহবায়ক আবাসিক শিক্ষক প্রতিভা ম্যাম। আমি এই কমিটিতে ছিলাম না। তাই কিভাবে বণ্টন হলো, কতো টাকা নেওয়া হলো আমি জানি না।

হলের আবাসিক শিক্ষক ও তালা-চাবি বণ্টন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. প্রতিভা রানী কর্মকারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায় নি। এছাড়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগমকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকেও পাওয়া যায়নি।

ওডি/ইমা

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড