• শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২০, ২১ চৈত্র ১৪২৬  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ঘুমন্ত অবস্থায় শেকৃবির ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর

  শেকৃবি প্রতিনিধি

১৪ মার্চ ২০২০, ১২:৫১
শেকৃবি
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ছবি : সংগৃহীত)

আবাসিক হলের সিট বণ্টনকে কেন্দ্র করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) শাখা ছাত্রলীগের এক নেতাকে বেধড়ক মারধর করেছে সভাপতি এস এম মাসুদুর রহমান মিঠুর অনুসারীরা। 

শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা হলের ৩১৫ নম্বর রুমে মারধরের এই ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার নেতার নাম আলী আহাদ। তিনি শাখা ছাত্রলীগের গণশিক্ষা সম্পাদক। 

আহত নেতা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছেন। 

ভুক্তভোগী আলী আহাদ বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে এ সমস্যা চলমান। গত বৃহস্পতিবার রাতে মিঠু ভাইয়ের অনুসারীরা আমার সিট ফেলে দিয়েছে। সারারাত না ঘুমাতে পেরে আজকে জুমার নামাজ পড়ে না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ শেরেবাংলা হলের উজ্জ্বল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিক হাসান দুর্জয়সহ ৩০-৪০ জন রুমে এসে আমাকে থাপ্পড়, লাথি ও ঘুষাতে থাকে। উজ্জ্বল মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে।’

আহাদ বলেন, ‘আমি মিঠু ভাইয়ের অনুসারী না হওয়ায় এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিয়ান খান জয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ায় আমার প্রতি তাদের আগে থেকেই ক্ষোভ ছিল। তারা কাল আমার টেবিলের বই ফেলে দিছে, ট্রাংকের তালা ভেঙেছে। ট্রাংক থেকে আমার ৭ হাজার টাকা হারিয়েছে। জামা-কাপড় মাঠে ফেলে দিয়েছে। আমাকে মারধর করেছে। রাতে হলে ঢ়ুকতে দেয়নি। আমি আমার জীবন নিয়ে শঙ্কিত।’

এ বিষয়ে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিক হাসান দুর্জয় বলেন, ‘আলী আহাদ ১৭ ব্যাচের জুনিয়র হয়ে ১৫ ব্যাচের সিনিয়রের গায়ে হাত তুলেছে। আমরা সবাই সিদ্ধান্ত নেই বেয়াদবি করায় ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত আহাদ হলের বাইরে থাকবে। সে আমাদের কথা না মানায় তার বিছানাপত্র ফেলে দেওয়া হয়।’ 

হলে গেস্ট নিয়ে থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ অভিযোগ সত্য না।’

অভিযুক্ত উজ্জ্বল মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি তো এ ব্লকে ছিলাম। আমি কিছু জানি না।’ 

এ বিষয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘যেখানে জুনিয়রকে স্নেহ করার কথা সেখানে ঘুমন্ত অবস্থায় মারধর, একজন ছাত্রলীগ কর্মী থেকে এটা আশা করা যায় না। যারা এটি ঘটিয়েছে আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানাই।’

আরও পড়ুন : চবির পাহাড়ে আগুন

তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক হলে তারা (সভাপতির অনুসারীরা) ভালো রুমগুলো নিজেদের দখলে রেখেছে। বিভিন্ন রুমে গেস্ট তুলেছে। নজরুল হলের ২১৭ নম্বর রুমে ২ জন গেস্ট থাকে। অথচ অনেক শিক্ষার্থী সিট পাচ্ছে না।’

এ বিষয়ে শেকৃবি ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম মাসুদুর রহমান মিঠু বলেন, ‘আলী আহাদ এক সিনিয়রের কলার ধরেছে। এই বেয়াদবির জন্য তাকে ঐ সিনিয়রের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হলে সে তা না মানায় তার বিছানাপত্র সিনিয়ররা ফেলে দেয় বলে শুনছি। মারার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’

ওডি/এমএ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড