• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৬ আশ্বিন ১৪২৭  |   ৩১ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আসন বৃদ্ধির দাবিতে ডুয়েট ছাত্রলীগের স্মারকলিপি

  ডুয়েট প্রতিনিধি

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৩১
আসন বৃদ্ধির দাবি
আসন বৃদ্ধির দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিচ্ছে ডুয়েট শাখা ছাত্রলীগ (ছবি : দৈনিক অধিকার)

ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) শাখা ছাত্রলীগ।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ডুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে উপাচার্য বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে ডুয়েটের পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের আসন সংখ্যা ১৮০ তে উন্নীতকরণের পাশাপাশি তড়িৎ কৌশল ও পুরকৌশল অনুষদের অধীনে আরও দুইটি বিভাগ খোলা এবং ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুগোপযোগী পরিবর্তন আনার দাবি জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে প্রতিবছর ৪৯টি সরকারি ও ৪৫০ এর অধিক বেসরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট ও ৬৪টি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ হতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী পাস করে। কিন্তু এই বিশাল জনগোষ্ঠী হতে প্রতিবছর ডুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া গড়ে ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ডুয়েটে ভর্তি হবার সুযোগ পায়। সেই সঙ্গে ডুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতিতে একজন শিক্ষার্থীর একাধিকবার অংশ নেওয়ার সুযোগ অনেকটা মরার ওপর খরার ঘা।

এ ব্যাপারে ডুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি তাইবুর রহমান বলেন, ২০২১ সাল হতে ডুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থীর একবার অংশগ্রহণের দাবি জানিয়েছি। একই সঙ্গে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি ও যুগোপযোগী নতুন বিভাগ খোলারও দাবি জানানো হয়েছে। আশা করি, বৃহত্তর স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের যৌক্তিক দাবির পক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন : কলেজ ছাত্রী অপহরণ, বনি আমীনকে ববিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

উল্লেখ্য, ডুয়েট ব্যতীত আরও বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ থাকলেও শিক্ষা কারিকুলাম ভিন্ন হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের তুলনায় চান্স পাওয়ার হার খুবই নগণ্য।

ওডি/জেআই

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড