• সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৪ ফাল্গুন ১৪২৬  |   ১৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ত্রিমুখী আন্দোলনে অচল বশেমুরবিপ্রবি

  বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:৪৩
বশেমুরবিপ্রবি
আইসিটি ইনস্টিটিউট ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি (ছবি : দৈনিক অধিকার)

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) ইতিহাস বিভাগের স্থায়ী অনুমোদনের দাবিতে টানা ৭ম দিনের মতো চলছে অবস্থান কর্মসূচি।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে ৭ম দিনের অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন ইতিহাস বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের সঙ্গে অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিতে থাকেন। বরাবরের মতো অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানো ছিল। ফলে ৫ম দিনের মতো সকল অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

এ দিকে গতকাল বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে শেখ হাসিনা আইসিটি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে আন্দোলন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। পূর্ণাঙ্গ সুযোগ সুবিধা ও স্থায়ী ক্যাম্পাস নিশ্চিতের পূর্ব পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

অন্যদিকে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে দফায় দফায় হওয়া আন্দোলন নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। কর্মচারীরা তাদের দাবি আদায়ের জন্য প্রশাসনিক ভবনের একপাশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।

গতকাল আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি উপাচার্য ড. মো. শাহজাহান, প্রক্টর রাজিউর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা মশিউর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। 

প্রশাসন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে তাদের আন্দোলনের ধরন পর্যালোচনার অনুরোধ করেন এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের এ আহ্বানে সাড়া দেয়নি।

আরও পড়ুন : ৭ দফা আন্দোলনে শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা

এ দিকে অব্যাহত আন্দোলনে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা সেশনজটে পড়ার আশঙ্কায় ভুগছেন। 

ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সানজিদা তাহসিন বলেন, ‘এভাবে একটা বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। আমরা সেশনজটে পড়ার আশঙ্কায় আছি। আমাদের অভিভাবকরা আমাদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। ইউজিসির বিষয়টা দ্রুত সমাধান করা উচিত।’

ওডি/এমএ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড