• বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২৪ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

দুদিনের জন্য জাবিতে আন্দোলন স্থগিত

  ক্যাম্পাস ডেস্ক

১০ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:৩৭
জাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে জাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন (ছবি : দৈনিক অধিকার)

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আগামী দুদিন কোনো কর্মসূচি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। দেশজুড়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে তাদের এই সিদ্ধান্ত।

শনিবার (৯ অক্টোবর) রাত ৮টায় এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা এ ঘোষণা দেন।

দুদিন বাদে মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) বেলা ১১টায় উপাচার্যের দুর্নীতির বিষয়ে আঁকা ব্যঙ্গাত্মক ক্যানভাস প্রদর্শন, বিকাল ৩টায় সংহতি সমাবেশ, সন্ধ্যা ৬টায় গানে গানে সংহতি এবং রাত সাড়ে ৭টায় পথনাটক প্রদর্শন করবে আন্দোলনকারীরা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এরপর বুধবার (১৩ নভেম্বর) বেলা ১১টায় বিক্ষোভ মিছিল করা হবে হবে। 

অর্থ ছাড় না হলে কাজ চলছে কীভাবে? দুর্নীতির সম্পর্ক ঠিকাদার ও প্রশাসনের মধ্যে। নিয়মানুযায়ী টেন্ডারের কাজ শেষ করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান টাকা পায়। সুতরাং দুর্নীতির জন্য টাকা ছাড়ের প্রয়োজন হয় না। আন্দোলন নিয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের দেয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আন্দোলনকারী শিক্ষক খন্দকার হাসান মাহমুদ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

দুর্নীতির অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির অপসারণ দাবিতে নিয়মিত কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে অঙ্কিত ৬০ গজ ‘পটচিত্র’ নিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। বিকাল ৫টার দিকে কলা ও মানবিক অনুষদের সামনে থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গিয়ে কিছুক্ষণ পটচিত্রটি প্রদর্শন করে মিছিলটি আবার একই অনুষদ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার হাসান মাহমুদ বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ জমা দিতে পারেনি- শিক্ষা উপমন্ত্রীর এমন বক্তব্য সঠিক নয়।’ 

তিনি বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নির্দিষ্ট সময়ে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছি। হয়তো শিক্ষা উপমন্ত্রীর কাছে তথ্যের ঘাটতি রয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তাই এখন কোনো আন্দোলন চলতে পারে না। এটা আইনের লঙ্ঘন। যেহেতু সরকার এখানে সরাসরি অনুসন্ধান করছে, তাই সরকারের প্রতি সবার আস্থা রেখে আন্দোলন প্রত্যাহার করে ঘরে ফেরা উচিত।’ 

আন্দোলনকারীদের দেয়া বক্তব্যের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিজেরা বিনিয়োগ করে কাজ শেষে বিল করার পর সরকার টাকা ছাড় করে। সুতরাং এখন যে কাজ হচ্ছে তা ঠিকাদারের নিজস্ব অর্থায়নে। এখানে প্রকল্পের মূল বাজেটের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।’

ওডি/জেআই 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড