• মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২৪ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

লক্ষ্য যাদের মাভাবিপ্রবি

  মো. সাইফুল মজুমদার, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি

০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৩:২৮
মাভাবিপ্রবি
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ছবি : সংগৃহীত)

টাঙ্গাইল শহর থেকে তিন কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে বিংশশতকী ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ গণআন্দোলনের নায়ক ও বাংলাদেশের কিংবদন্তি রাজনৈতিক নেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নামানুসারে তার স্মৃতি বিজড়িত সন্তোষে প্রতিষ্ঠিত হয় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি)। ১৯৯৯ সালের ১২ অক্টোবর দেশের ১৩তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়টি।

প্রশাসনিক ভবন, অ্যাকাডেমিক ভবন, শিক্ষকদের ডরমেটরি, ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসিক হল, কেন্দ্রীয় মসজিদ, শহীদ মিনার, বুদ্ধিজীবী চত্বর, বিজঙ্গন, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ, ছোট-বড় পুকুর আর শাহজামান দিঘীঘেরা ৫৭ একরের ভাসানীর পদদলিত মাটির ক্যাম্পাস।

প্রতিষ্ঠাকালীন দুইটি বিভাগ, ৮৩ জন শিক্ষার্থী ও পাঁচ জন শিক্ষক নিয়ে ২০০৩ সালের ২৫ অক্টোবর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর ২০ বছর পূর্ণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য রয়েছে শিক্ষার্থী দ্বারা পরিচালিত নানাবিধ সংগঠন। এখানে রয়েছে- মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (মাভাবিপ্রবিসাস), বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), মাভাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি, রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সায়েন্স ক্লাব, আইটি সোসাইটি, সাংস্কৃতিক সংগঠন ধ্রুবতারা, সিডিসি, পথশিশুদের নিয়ে সংগঠন কাম ফর রোড চাইল্ড (সিআরসি), চিল্ড্রেন হ্যাভেন, রক্তদান সংগঠন বাঁধন, মাওলানা ভাসানী রোটার‌্যাক্ট ক্লাব, লিও ক্লাব, ফটোগ্রাফিক সোসাইটিসহ নানা সংগঠন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে মোট বিভাগের সংখ্যা ১৬টি। মোট শিক্ষার্থী ৫ হাজার ৬৭১ জন এবং ২০৩ জন শিক্ষক রয়েছেন। এবার চারটি ইউনিটের অধীনে ১৬টি বিভাগে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। আগামী ৬ ও ৭ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

গেল ৩১ নভেম্বর ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান/ইঞ্জিনিয়ারিং) বিবিএ ও বিফার্ম কোর্সের ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের সময় শেষ হয়েছে। এবার প্রতি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৮০ জন শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ইউনিটের ১৬টি বিভাগে ৮১৫টি আসনের জন্য মোট ৬৫ হাজার ৩৫ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ‘এ’ ইউনিটে।

এবার ‘এ’ ইউনিটে প্রতি আসনের জন্য ১২৭ জন পরীক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ‘এ’ ইউনিটে তিনটি বিভাগে ১৭০টি আসনের জন্য ২১ হাজার ৫৯২ জন, ‘বি’ ইউনিটের ছয়টি বিভাগে ২৯৫টি আসনের জন্য ২৫ হাজার ৯৪৩ জন, ‘সি’ ইউনিটের চারটি বিভাগে ২৩০টি আসনের জন্য ১০ হাজার ৬৩২ জন এবং ‘ডি’ ইউনিটের তিনটি বিভাগে ১২০টি আসনের জন্য ৬ হাজার ৮৬৮ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

‘এ’ ইউনিট প্রকৌশল অনুষদের ‍তিনটি বিভাগে মোট ১৭০টি আসন। ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ১০, পদার্থ বিজ্ঞানে ৩৫, রসায়নে ২০ গণিত ৩৫ নম্বর থাকবে। প্রত্যেক বিষয়ে আলাদা আলাদা পাস করতে হবে।

‘বি’ ইউনিট লাইফ সায়েন্স অনুষদে ছয়টি বিভাগে মোট ৩০০টি আসন। বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ১০, রসায়ন ৩৫, পদার্থবিজ্ঞান ২০, জীববিজ্ঞান ৩৫ নম্বর থাকবে। প্রত্যেক বিষয়ে আলাদা পাস করতে হবে।

‘সি’ ইউনিট ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের চারটি বিভাগে ২৩০টি আসন। ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ১০, পদার্থবিজ্ঞান ৩০, গণিত ৩০, রসায়ন ৩০ নম্বর থাকবে। প্রত্যেক বিষয়ে আলাদা পাস করতে হবে।

‘ডি’ ইউনিটের তিনটি বিভাগে (হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা ও অর্থনীতি) ১২০টি আসন। হিসাববিজ্ঞান ৩০টি আসনের মধ্যে বাণিজ্য শাখার জন্য ১৯টি আসন, বিজ্ঞান শাখার জন্য ৮টি এবং মানবিক শাখার জন্য ৩টি আসন বরাদ্ধ রয়েছে। ব্যবস্থাপনা ৩০টি আসনের মধ্যে বাণিজ্য শাখার জন্য ১৯টি, বিজ্ঞান শাখার জন্য ৮টি, মানিবিক শাখার জন্য ৩টি আসন বরাদ্ধ থাকবে। অর্থনীতি বিভাগের ৬০টি আসনের মধ্যে বাণিজ্য শাখার জন্য ১৬টি আসন, মানবিক শাখার জন্য ২২টি আসন এবং বিজ্ঞান শাখার জন্য ২২টি আসন বরাদ্ধ থাকবে। ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বিষয়ভিত্তিক ১০০ নম্বর থাকবে।

ভর্তি পরীক্ষাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

ওডি/আরএআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড