• সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

জাবি উপাচার্যের দুর্নীতির প্রমাণাদি জমা দিলেন আন্দোলনকারীরা

  জাবি প্রতিনিধি

০৯ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:০৩
জাবি
আন্দোলনকারী চার শিক্ষক (ছবি : সংগৃহীত)

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন প্রমাণাদি ও অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) রাত ১১টার পর রাজধানীর বনশ্রীতে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির একান্ত সচিব ড. আব্দুল আলীম খানের বাসা ক্লান্ত নিবাসে গিয়ে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে চার শিক্ষক এসব প্রমাণাদি জমা দেন।

প্রমাণাদি ও অভিযোগপত্র জমা দেওয়া চার শিক্ষক হলেন- বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম তালুকদার (তারেক রেজা), পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মো. ফজলুল করিম পাটোয়ারি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাইদ মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার হাসান মাহমুদ।

এর আগে, গেল বুধবার (৬ নভেম্বর) শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রমাণসহ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ চাইলেও এখন পর্যন্ত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি কাঠামোর মধ্যে মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে।

অভিযোগ দেওয়ার পর বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম তালুকদার বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দুর্নীতিবাজ ও মামলাবাজ উপাচার্যের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন হচ্ছে এর মাধ্যমে বড় ধরনের পরিবর্তন হবে।’

আন্দোলন কবে শেষ হবে জানতে চাইলে রেজাউল করিম তালুকদার বলেন, ‘এটি নিশ্চিত করে বলা মুশকিল। আমাদের যিনি আহ্বায়ক তিনি এখানে আসেননি। আমরা সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। এই আন্দোলনের বড় অংশ হলো শিক্ষার্থী।’

অভিযোগ জমা দেওয়ার পর আপনারা কতটা আশাবাদী, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা শতভাগ আশাবাদী। আমরা প্রত্যাশাই করি না মন্ত্রণালয় আমাদের পক্ষ অবলম্বন করবে। যেগুলো সত্য ঘটনা ঘটেছে সেগুলোর বিষয়ে পক্ষ অবলম্বন করলেই আমাদের জয় হবে।’

এ দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শনিবার (৯ নভেম্বর) বেলা ১টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান আন্দোলন নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগ তুলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে আন্দোলন করছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনারে জেরে মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের জরুরি এক সভা শেষে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রথমে বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশের কথা জানান, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিকাল সাড়ে ৫টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশের পর শিক্ষার্থীরা হল ছাড়তে শুরু করলেও অনেকেই থেকে যান এবং গভীর রাত পর্যন্ত আন্দোলনে অংশ নেন। পরে বুধবার সকাল থেকে আবার আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

ওডি/আরএআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪, ০১৯০৭৪৮৪৮০০ 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড