• মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ৪ পৌষ ১৪২৬  |   ১৯ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

শিরোনাম :

থেরেসা মে : ব্রেক্সিট ইস্যুতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভোট জানুয়ারিতে||'নির্বাচনে জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে ব্রিটিশ সরকারের পদক্ষেপ আহ্বান'||রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রস্তাব আলোচনা বর্জন করেছে চীন ও রাশিয়া||৩০০ কোটি টাকায় দুটি রুশ হেলিকপ্টার কিনছে বিজিবি||বরখাস্ত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কোচ হোসে মরিনহো||সু চি’কে দেওয়া পুরস্কার প্রত্যাহার করল দক্ষিণ কোরিয়া||নির্বাচনি পরিবেশ স্বাভাবিক, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডও বিদ্যমান : সিইসি||জামায়াতের ২২ নেতার ‘ধানের শীষ’ বাতিলে আদালতে রুল||যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বিএনপি   ||প্রতিশোধের রাজনীতি বন্ধের অঙ্গীকার করল বিএনপি 

সতর্ক করতে রাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের মারধর!

  রাবি প্রতিনিধি ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ১৯:১২

রাবি ক্যাম্পাস
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (ছবি : সংগৃহীত)

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ আরও দুই নেতার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পিছনে ছাত্রলীগের দলীয় টেন্টে তাকে মারধর করা হয়। তবে ছাত্রলীগের দাবি- ওই শিক্ষার্থী ছাত্রদল করে এবং সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট করে, তাই তাকে ডেকে সতর্ক করা হয়েছে, মারধর করা হয়নি। 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম নাফিউল ইসলাম জীবন। সে আরবি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। অপরদিকে অভিযুক্তরা হলো- বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিশু। ঘটনার সময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু উপস্থিত থাকলেও তিনি মারেননি বলে জীবন জানায়। 

নাফিউল ইসলাম জীবন জানায়, মঙ্গলবার সকালে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ আমাকে ফোন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে আসতে বলেন। আমার পরীক্ষা আছে জানিয়ে আমি তার সঙ্গে দেখা করিনি। পরে পরীক্ষা শেষ হলে ইমতিয়াজ আমাকে আবার ফোন দেয় এবং ছাত্রলীগের টেন্টে আসতে বলে। সেখানে যাওয়ার পর তারা আমার ফেসবুক চেক করে এবং আমাকে মারধর করে। 

জীবন অভিযোগ করে বলেন, ‘ইমতিয়াজ আমার বিভাগের বড় ভাই। কোটা সংস্কার আন্দোলনে আমি সক্রিয় ছিলাম। ওই সময় ইমতিয়াজ ভাই আমাকে ক্লাস চালু রাখতে বলেছিল। কিন্তু আমি ক্লাস বন্ধ করে দিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নিয়ে গিয়েছিলাম। তাই তারা আমাকে মারধর করেছে।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গোলাম কিবরিয়া, ইমতিয়াজ আহমেদ ও মেহেদী হাসান মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তারা বলেন- ‘জীবন ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। যার প্রমাণ তার ফেসবুক থেকে আমরা পেয়েছি। এছাড়াও সে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করে বিভিন্ন সময় পোস্ট করেছে। আর আমরা তাকে কোনো ধরনের মারধর করিনি। তাকে ডেকে সতর্ক করেছি মাত্র।’

আপনার ক্যাম্পাসের নানা ঘটনা, আয়োজন/ অসন্তোষ সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
SELECT id,hl2,parent_cat_id,entry_time,tmp_photo FROM news WHERE ((spc_tags REGEXP '.*"location";s:[0-9]+:"রাবি".*')) AND id<>28222 ORDER BY id DESC LIMIT 0,5

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড