• রোববার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭  |   ৩৩ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

মাইগ্রেশনের দাবীতে নর্দান (প্রাঃ) মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন 

  শিক্ষা ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৬:০২
মাইগ্রেশনের দাবীতে নর্দান (প্রাঃ) মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
মাইগ্রেশনের দাবীতে নর্দান (প্রাঃ) মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন (ছবি : সংগৃহীত)

বিভিন্ন অনিয়মের কারনে নর্দান (প্রাঃ) মেডিকেল কলেজ রংপুর এর BMDC এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন বাতিল ও কলেজ কতৃক প্রতারনার জেরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীবৃন্দকে BMDC প্রেসিডেন্ট কতৃক প্রদত্ত মাইগ্রেশনের মৌখিক আশ্বাস দ্রুত বাস্তবায়নের দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে নর্দান (প্রাঃ) মেডিকেল কলেজের প্রতারিত হওয়া সকল শিক্ষারথীবৃন্দ।

বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) নিবন্ধন ছাড়াই প্রতারণার মাধ্যমে প্রতিবছর শিক্ষার্থী ভর্তি করছে রংপুরের নর্দান প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ। এতে বিপর্যায়ের মুখে পড়ছে একদল মেধাবী শিক্ষার্থীর জীবন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিক্ষার্থী আছে কিন্তু শিক্ষক নেই, হাসপাতাল আছে চিকিৎসক ও রোগী নেই। এমনকি অপারেশন থিয়েটার, আইসিইউ (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট), সিসিইউ (করোনারি কেয়ার ইউনিট) নেই। নামমাত্র বিভাগ থাকলেও কোন বিভাগেরই নেই বিভাগীয় প্রধান, প্রফেসর, সহকারি-সহযোগী অধ্যাপক ও রেজিস্ট্রার। এমনকি বিএমডিসি’র নিবন্ধনও নেই।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. এএইচএম এনায়েত হোসেন বলেন, কলেজটি দীর্ঘদিন তাদের নিবন্ধন নবায়ণ করেনি। এমনকি কলেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের নিয়ম নীতিও তারা ঠিক মতো মানেনি। কিন্তু উচ্চ আদালতের আদেশের বলে তারা প্রতি বছর শিক্ষার্থী ভর্তি করছে। ফলে অধিদফতরের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে কলেজের একটি ব্যাচের শিক্ষার্থী এমবিবিএস পরীক্ষায় পাশ করেছে। কিন্তু তারা বিএমডিসি’র নিবন্ধিত নয়। তাই তারাও বিপাকে পড়েছে। তবে বিশেষ বিবেচনায় এসব শিক্ষার্থীর ইর্ন্টানের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।

নর্দান প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও আজকের সংবাদ সম্মেলনের আহবায়ক মো. শিহাব আহমেদ বলেন, ২০০০ সালে এই মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। কিন্তু মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের কোন শর্ত পূরণ না করায় ২০০৪ সালে কলেজটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। তারপরও কলেজ কর্তৃপক্ষ উচ্চ আদালতের নির্দেশনা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু করে। তবে এ পর্যন্ত বিএমডিসি’র অনুমোদন নেই নি। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিবন্ধিত থাকলেও পরবর্তীতে সেটিও তারা নবায়ণ করেনি। শিক্ষার্থীরা জানান, এই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষে যারা ভর্তি হয়েছেন তাদের কাছ থেকে মন্ত্রনালয় নির্ধারিত ফিস এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা আদায় করা হয়। ভর্তির ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা। মাসিক বেতন ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। এমনকি গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষার কোটা থাকলেও তাদের কাছ থেকে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা আদায় করা হতো। শিক্ষর্থাীরা বিভিন্ন সময় বিএমডিসির নিবন্ধনের দাবি জানিয়ে আসলে এক পর্যায়ে একটি জাল সনদ দেখিয়ে তাদের শান্ত করে প্রশাসন।

বিএমডিসি’র সদস্য প্রফেসর ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ধরনের মেডিকেল কলেজগুলো মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিবন্ধন নেয়। কিন্তু বিএমডিসি’র নিবন্ধন নিতে পারে না। কারণ সব নিয়ম নীতি না মানায় তাদের নিবন্ধন দেয়া হয় না। তিনি বলেন, এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একটি পূর্ণাঙ্গ টিম করে (বিএমডিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে) পরিদর্শন করতে হবে। নিয়ম না মানলে প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে।

ওডি

আপনার ক্যাম্পাসের নানা ঘটনা, আয়োজন/ অসন্তোষ সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড