• সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১, ৪ মাঘ ১৪২৭  |   ১৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

হাবিপ্রবি ভর্তিতে আসন সংখ্যা কমানোর দাবি শিক্ষার্থীদের

  হাবিপ্রবি প্রতিনিধি

০৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৬:০০
হাবিপ্রবি
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) মূল ফটক (ছবি : দৈনিক অধিকার)

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) প্রতি বছর অ্যাকাডেমিক সক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী। এ জন্য অ্যাকাডেমিক সক্ষমতা না বাড়ানো পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা কমানো উচিৎ বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি পরিচালিত এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

সাংবাদিক সমিতি পরিচালিত ওই জরিপে অংশগ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ হাজার ১৮৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা কমানোর ব্যাপারে মতামত দিয়েছেন ১ হাজার ৯৫২ জন শিক্ষার্থী, যা মোট ভোটের প্রায় ৯০ শতাংশ।

অন্যদিকে আসন সংখ্যা অপরিবর্তিত রাখার ব্যাপারে মতামত দিয়েছেন ১৮৬ জন্য শিক্ষার্থী। আর আসন বাড়ানোর ব্যাপারে মত দিয়েছেন ৫০ জন শিক্ষার্থী।

আসন সংখ্যা কমানোর পক্ষে মত দেওয়া শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অ্যাকাডেমিক সক্ষমতা না বাড়িয়েই অহেতুক আসন সংখ্যা বাড়িয়েছে। যেখানে পরিবহন সংকট, ক্লাস রুম-ল্যাব সংকটসহ আবাসন সংকটে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীরা, সেখানে সংকট নিরসন না করেই প্রতিবছর এতো শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর কোনো মানে হয় না।

তবে বেশকিছু শিক্ষার্থী দাবি করেছেন, কৃষি অনুষদে অবশ্যই আসন সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া উচিৎ। কেননা হাবিপ্রবি কৃষি কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হলেও কৃষি অনুষদের আসন সংখ্যা না কমিয়ে আগের মতো অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, আসন সংখ্যা কমানো উচিত। তাহলে যে কোয়ালিটি আছে সেটাতেই কাজ হবে। যেহেতু কোয়ালিটি বাড়ছে না, স্টেবল আছে- তাই সীট কমালে সেটা লেভেলে আসবে। বিশেষ করে এগ্রিকালচার, বিবিএ, সাইন্স ফ্যাকাল্টি, সোশ্যাল সাইন্স ফ্যাকাল্টির আসন সংখ্যা কমানো উচিত এবং এর সাথে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। তবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ালিটি আরও বাড়বে।

এ দিকে, আসন সংখ্যা কমানোর ব্যাপারে হাবিপ্রবির রেজিস্টার প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ ফজলুল হক বলেন, ‘আসন সংখ্যা কিছুটা কমানো হোক, এটা আমিও চাই। কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক সক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখেই আসন সংখ্যা বাড়ানো বা কমানো উচিৎ।’

আরও পড়ুন : রাবিসাসের নতুন সভাপতি শাহীন, সম্পাদক নুরুজ্জামান

তবে কিছুটা বিপরীত মত দিয়েছেন ডিভিএম অনুষদের প্যাথলজি অ্যান্ড প্যারাসাইটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম হারুন-উর-রশিদ।

তিনি বলেন, ‘আমি আসন সংখ্যা কমানোর পক্ষপাতী না। কেননা এতে করে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবে না।’

বিষয়টিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল কাশেম জানান, আসন সংখ্যা কমানোর ব্যাপারটি আমার একক কোনো সিদ্ধান্তের ব্যাপার নয়। তবে বিষয়টি নিয়ে ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ক অ্যাডকমের মিটিংয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, হাবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রতিবছর কৃষি অনুষদেই ভর্তি করানো হয় তিনশত পঁচাত্তর জনের মতো শিক্ষার্থী।

আপনার ক্যাম্পাসের নানা ঘটনা, আয়োজন/ অসন্তোষ সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড