• মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭  |   ২৬ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছাতে পড়ুন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং

  শিক্ষা ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৮:২৪
সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছাতে পড়ুন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছাতে পড়ুন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং

বর্তমান সময়ে শিক্ষা লাভ করে চাকরির ক্ষেত্রে যে কেউ সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছাতে পারে। মূলত উন্নতি আর সাফল্য নির্ভর করে কর্মক্ষেত্র নির্বাচন ও যথাযথ প্রয়োগের ওপর। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন মেধা, মনন ও দক্ষতা। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বে যে কয়েকটি শিল্প মাধ্যম দ্রুত বিকাশ লাভ করেছে, তার মধ্যে টেক্সটাইল শিল্প অন্যতম।

বাংলাদেশে বর্তমানে কটন ও সিনথেটিক মিল, উলেন ও উইভিং মিল, হ্যান্ডলুম, ডাইং, ফিনিশিং এবং এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড গার্মেন্টসসহ প্রায় ৯ হাজার টেক্সটাইল শিল্প আছে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও এ সেক্টরের অগ্রগতি অব্যাহত আছে। প্রায় প্রতি বছর নতুন নতুন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি স্থাপিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বস্ত্র আজ বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। বর্তমানে এ শিল্পের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রয়োজনীয় দক্ষ ও শিক্ষিত জনশক্তি জোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে উচ্চশিক্ষা এখন সময়ের দাবি।

কেন পড়বেন?

গার্মেন্টস শিল্পে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের চাকুরীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। একটি ক্রমবর্ধমান শিল্প হিসেবে যে কোন শিক্ষার্থী এই সাবজেক্টটি বেছে নিতে পারেন। অধ্যয়নরত যে কোন শিক্ষার্থীও যে কোন প্রতিষ্ঠানে ১০ হাজার বা ২০ হাজার টাকা বেতনে চাকুরী করতে পারেন। তাছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রী অর্জনের পর কর্মজীবনে প্রবেশের ৫/৬ বছর পরই একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারের বেতন আনুমানিক ৬০ হাজার অথবা ৭০ হাজারে রূপান্তরিত হতে পারে। সাথে সাথে অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও বৃদ্ধি পেতে থাকে।

কী পড়ানো হয়?

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে। অনেকেই মনে করেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কাপড় বানানো শেখানো হয়। কিন্তু এই বিষয়ের সঙ্গে কাপড় বানানোর সম্পর্ক তেমন নেই। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মূলত টেক্সটাইলের মৌলিক বিষয়গুলো পড়ানো হয়। তন্তু থেকে কাপড় বানানোর উপযোগী সুতা তৈরি, কিংবা একটি ফেব্রিককে আরামদায়ক করার যেসব পদ্ধতি রয়েছে, সেসবও এই পড়ালেখার বিষয়। অদাহ্য, তাপরোধী, রাসায়নিকরোধী কিংবা পানিরোধী ফেব্রিকের সম্ভাবনা ও ব্যবহার—এই সবকিছুই পড়ানো হয় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। এটি শুধু প্রকৌশল নয়, দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পোশাক থেকে শুরু করে বিশেষায়িত সবকিছুই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অন্তর্ভুক্ত।

কর্মক্ষেত্র

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী অর্জনের পর আপনি সরকারি বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ড্রাস্টির পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন গার্মেন্টস ও বায়িং হাউজে উচ্চ বেতনে চাকুরী পেতে পারেন। তাছাড়াও বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন টেক্সটাইল মিল, ফ্যাশন হাউজ, বুটিক হাউজ ইত্যাদিতেও চাকরীর সুযোগ রয়েছে। আবার বিভিন্ন কম্পোজিট শিল্প, স্পিনিং ও উইভিং শিল্পেও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করতে পারেন। তাছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক ও শিল্প ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান শিল্প ঋণ বিতরণ সংশ্লিষ্ট পদে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়োগ করে থাকে। অর্থাৎ শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরেই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য বিশাল কাজের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া দেশের বাইরেও রয়েছে প্রচুর চাকরির সুযোগ।

কারা পড়তে পারবে?

চার বছর মেয়াদি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হতে হলে একজন শিক্ষার্থীর অবশ্যই বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা থাকতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে যারা এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেছে তারা এই বিভাগে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে ভর্তির যোগ্যতা ও অন্যান্য নিয়ম ভিন্ন। তাই যার যে বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির বিস্তারিত তথ্যাবলী জেনে নিতে হবে।

কোথায় পড়বেন?

বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ১৪টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ১টি টেক্সটাইল কলেজ, ৪টি ডিগ্রি পর্যায়ের কলেজ, ৩৫টি ডিপ্লোমা পর্যায়ের ইনস্টিটিউট এবং ৪০টি সরকারি বৃত্তিমূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে শিক্ষা দিচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে বস্ত্র প্রকৌশল বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

তবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যদি কম খরচে এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়তে চান তাহলে বেছে নিতে পারেন রাজধানীর অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি। ঢাকার গ্রিন রোডে প্রতিষ্ঠানটির মূল ক্যাম্পাস। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১২ সালে যাত্রা শুরু করে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত।

যেসব সুবিধা পাবেন

সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির টেক্সটাইল ডিপার্টমেন্ট অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার এই যুগে বর্তমান বিশ্বের পোশাকশিল্পের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মিটিয়ে সঠিক মান আর অবকাঠামোগত উন্নয়নে রেখে চলেছে উল্লেখযোগ্য অবদান। নিজের ও দেশের জন্য কিছু করার প্রত্যয় নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবার আগ্রহে টেক্সটাইল ডিপার্টমেন্টে পড়ার আমন্ত্রণ আপনাকে। বর্তমান পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফল-২০২০ সেমিস্টারে ভর্তি ইচ্ছুক সকল ছাত্র ছাত্রীর ভর্তি ফি ৩০০০/- টাকা এবং টিউশন ফির ৫০% ছাড় এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষার সু-ব্যবস্থা রয়েছে।

এখানে পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে প্রফেশনাল ফিল্ডের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়। যেমন- প্রত্যেক সেমিস্টারে বাধ্যতামূলক অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়ার্কশপ, সেমিনার ও ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। এতে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস অনেকাংশেই বেড়ে যায়। এছাড়া এখানে টিউশন ফি কম হওয়ায় গরিব মেধাবীদের লেখাপড়ার সুযোগ রয়েছে। রয়েছে প্রতিটি বিভাগে অত্যাধুনিক ল্যাবের সুব্যবস্থা। শিক্ষার্থীদের জন্য আছে ফ্রি যানবাহনের ব্যবস্থা।

শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা খাতে বিপুল অর্থ ব্যয় করে থাকে। ২০১৮ সালে গবেষণা খাতে ব্যয়ের দিক থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চতুর্থ স্থান অর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কর্পোরেট জবে যোগ্য করে গড়ে তুলতে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা দিয়ে থাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে রয়েছে- ক্যারিয়ার গোলস, পাবলিক স্পিকিং, সিভি ও রিজিউম রাইটিং, জব ইন্টারভিউ, কোয়ানটেটিভ অ্যানালাইসিস ও অ্যানালিটিক্যাল অ্যাবিলিটি, আইকিউ, লেখার দক্ষতা ও লিখিত পরীক্ষা, কাস্টমার সার্ভিস স্কিল এবং ডেমো ইন্টারভিউ ও অ্যাসেসমেন্ট ইত্যাদি। এছাড়া আরও রয়েছে বিষয় সংশ্লিষ্ট পাঠ্যবইয়ে সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, অত্যাধুনিক ক্লাসরুম, ডিবেটিং ক্লাব, কালচারাল ক্লাব ও স্পোর্টস ক্লাব।

সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নের ক্ষেত্রে চতুর্থ বিষয় ব্যতীত আপনার যদি এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ থাকে তবে আপনি ১০০ ভাগ ওয়েভার পাবেন। যদি ৪.৮০ স্কোর থাকে তবে আপনি ওয়েভার পাবেন ৫০ ভাগ। এভাবে ক্রমান্বয়ে ৩.৫ পর্যন্ত আপনি ওয়েভার পেতে পারেন। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব (http://www.su.edu.bd/) ওয়েবসাইটে।

সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির সেশন : এখানে স্প্রিং (জানুয়ারি-এপ্রিল), সামার (মে-আগস্ট) ও ফল (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর) এ তিনটি সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়।

যোগাযোগ :

ক্যাম্পাস-১ : ১৪৭/১, গ্রিন রোড, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫। ফোন : ৪৮১১২২৪৭ মোবাইল : ০১৯৫৫৫২৯৭১৫, ০১৯৫৫৫২৯৭১৬, ০১৯৫৫৫২৯৭১৭, ০১৯৫৫৫২৯৭২০, ০১৯৫৫৫২৯৭০৯

ক্যাম্পাস-২ : জিপি জেএ -১৪৬ ওয়ার্লেস গেট, মহাখালি ঢাকা। মোবাইল : ০১৯৫৫৫২৯৭০২, ০১৯৫৫৫২৯৭০৮, ০১৯৫৫৫২৯৭২২, ০১৯৫৫৫২৯৭২১

আপনার ক্যাম্পাসের নানা ঘটনা, আয়োজন/ অসন্তোষ সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801703790747, +8801721978664, 02-9110584 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড