• বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ২৪ আষাঢ় ১৪২৭  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

করোনায় পিছিয়ে গেল কলেজ ভর্তি ও নতুন পাঠ্যপুস্তক ছাপানো

  শিক্ষা ডেস্ক

০৬ জুন ২০২০, ১৩:২০
পাঠ্যপুস্তক
করোনায় পিছিয়ে গেল কলেজ ভর্তি ও নতুন পাঠ্যপুস্তক ছাপানো (ছবি : সংগৃহীত)

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মহামারি হয়ে গর্জে ওঠা প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আটকে গেছে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি এবং নতুন পাঠ্যবই মুদ্রণ ও রচনা কার্যক্রম। রবিবার (৭ জুন) থেকে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। তবে উচ্চ মাধ্যমিকের এই অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।

একইভাবে সরকারি তত্ত্বাবধানে থাকা একাদশ শ্রেণির চারটি বই বিক্রির লক্ষ্যে দরপত্র কার্যক্রম এখন পর্যন্ত শুরুই করা হয়নি। এই চারটির মধ্যে এবার একটি নতুন করে বাজারে যাওয়ার কথা। এমনকি এখনো বইটি রচনার কাজও শেষ হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে না। আগামী ৭ জুন থেকে অনলাইনে ভর্তি শুরু করতে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব পাঠানো হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ভর্তি শুরু করা ঠিক হবে না।

অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ভর্তি কার্যক্রম অনলাইনে হলেও অনেক শিক্ষার্থী বাড়ির বাইরে বের হয়ে কম্পিউটার দোকানে, বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে ভিড় করে আবেদন করার চেষ্টা করবে। আর এতে ভাইরাসে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। যেহেতু ভর্তি হলেও ক্লাস শেষ শুরু হচ্ছে না তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে উচ্চ মাধ্যমিকের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা হবে।

তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে। আর ক্লাস শুরু হতে পারে সেপ্টেম্বরে।

এ দিকে, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ৩৯টি বই আছে। এর মধ্যে এতদিন তিনটি বই বাজারজাত করে আসছিল সরকার। দরপত্রের মাধ্যমে আগ্রহী প্রকাশকদের বাজারজাতের কাজ দেয় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। বিনিময়ে ১১ শতাংশ হারে রয়্যালটি নেয় সরকার। চলতি বছর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) নামের বইটিও সরকারিভাবে বাজারজাত করার সিদ্ধান্ত আছে।

আরও পড়ুন : ৮ জুন থেকে সীমিত পরিসরে খুলছে জবির অফিস

সংশ্লিষ্টরা জানান, অন্য ৩৬টির সঙ্গে এতদিন আইসিটি গ্রন্থটিও বেসরকারি প্রকাশকরা সরকারি কারিকুলামের আলোকে প্রণয়ন করে এনসিটিবি থেকে অনুমোদন নিতেন। কিন্তু আইসিটি গ্রন্থটি কারিকুলামের সঙ্গে ততটা মিল নেই। বিশেষ করে একেক প্রকাশক একেকভাবে গ্রন্থটি রচনা করেছেন। আবার অনেকে গ্রন্থটি দুর্বোধ্য করে রচনা করেছেন। এসব বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনেও আলোচনা হয়েছে। এরপরই গ্রন্থটি সরকারিভাবে রচনা ও বাজারজাতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, করোনার কারণে একাদশ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের দরপত্রের কাজ কিছুটা ধীরগতিতে এগোচ্ছে। তবে আগামী সপ্তাহে এ নিয়ে কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর যে গ্রন্থটি এবার সরকারিভাবে বাজারজাত করার কথা সেটি রচনার কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। ডিসি সম্মেলনে বইটির মান নিয়ে আপত্তি উঠায় সরকারিভাবে প্রণয়ন ও বাজারজাতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আপনার ক্যাম্পাসের নানা ঘটনা, আয়োজন/ অসন্তোষ সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড