• রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন

ঈদের আগে লাগামহীন মসলার বাজার

  অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০১৯, ১৫:৩৮
মসলা
(ছবি: সংগৃহীত)

দরজায় কড়া নাড়ছে মুসলিম ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল আজহা। তবে এরই মধ্যে সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে। ক্রেতারা মাসের ব্যবধানে এতো দাম বেড়ে যাওয়াকে অস্বাভাবিক বলছেন। তবে বরাবরের মতো ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন, গুদাম থেকে পণ্য বেশি  দামে কিনতে হচ্ছে বলে দাম বেড়েছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, রামপুরা, মালিবাগ হাজীপাড়া, খিলগাঁও এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) এ তথ্য জানা গেছে। 

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত এক মাস ধরে মসলার দাম বাড়তি। অসাধু ব্যবসায়ীরা ঈদের আগে হঠাৎ করে দাম বাড়ালে ঝামেলায় পড়তে হতে পারে এ চিন্তা থেকে আগেই দাম বাড়িয়েছেন। বাজার মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা এ সুযোগকে কাজে লাগিয়েছেন।   

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক থেকে দেড় মাস ব্যবধানে এলাচের দাম বেড়েছে কেজিতে ৯০০-১০০০ টাকা। ১ হাজার ৮০০ টাকা দরের এলাচ এখন পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায়। আর খুচরা বিক্রেতারা নিম্নমানের এলাচ বিক্রি করছেন ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকায়। শুধু এলাচ নয়, অন্যান্য সব মসলা জাতীয় সব পণ্যের দামও বেড়েছে।

ঈদের মৌসুমে অন্য আরেক প্রয়োজনীয় মসলা হচ্ছে আদা। ফলে এই আদাও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। দিন পনের ব্যবধানে ১০০ থেকে ১২০ টাকার থাইল্যান্ড ও বার্মার আদা বাজারে ১৪০ টাকা থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।আর দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা করে। যা দুই সপ্তাহ আগেও ২১০ থেকে ২২০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হয়েছে। এছাড়া দুই সপ্তাহ আগেও যেখানে দেশি রসুন ১০০ থেকে ১১০ এবং ভারতীয় রসুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছেল, বর্তমানে রসুন দেশি ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ১৬০ টাকা ১৭০ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে।   

এদিকে পাইকারি বাজারে কাজু বাদাম কেজিতে ৮৫০ থেকে ১ হাজার টাকা, লবঙ্গ ৮শ থেকে ৯শ টাকা, কাঠ বাদাম ৮০০ টাকা, গোল মরিচ ৪৫০ থেকে ৫২০ টাকা,দারুচিনি কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, আলু বোখারা ৪০০ টাকা, জিরা ৩৪০ থেকে ৩৯০ টাকা, তেজপাতা কেজিতে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

এছাড়া প্রতিটি পণ্যের দাম ৫০, ১০০ ও ২০০ টাকা বেড়েছে। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে কুরবানির মসলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না বলে জানা হয়। 

এ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ীরা জানান, বেশি দাম দিয়ে পণ্য কিনে এনেছেন তারা। তাই কিছু করার নেই, তাই বেশি দাম বিক্রি করতে হচ্ছে। এখানকার ব্যবসায়ীরা কোনো স্টক করে না। পণ্যের সংকট দেখিয়ে আমদানিকারকরা পণ্যের বেশি দাম নিয়ে থাকলে তাদের কিছু করার থাকে না বলেও জানান তারা। 

বাংলাদেশ পাইকারি মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মৌলভীবাজারের মসলা আমদানিকারক আতিকুল হক বলেন, আগামীকাল থেকে মার্কেট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এজন্য এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করবো না।

ওডি/টিএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড