• শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

হঠাৎ করেই বেড়েছে আদার দাম

  অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক

০৭ জুন ২০১৯, ১৬:১৮
আদা
ছবি : সংগৃহীত

ঈদের পর হুট করেই পাইকারিতে আদার দাম বেড়ে গেছে। এর মধ্যে চীনা ও ভারতীয় আদার দাম কেজিতে গড়ে ৫০ টাকা বেড়েছে। 

শুক্রবার (৭ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে আদা, রসুন, মরিচ, পেঁয়াজ, হল্যান্ড আলু,  করলা, চিচিঙ্গা, ঢেঁড়স ও শসার পাইকারি দরদামের খোঁজ নেওয়া হয়। 

সেখানে দেখা গেছে, রোজার সময়ের তুলনায় এখন চীনা আদা প্রতি কেজিতে পাইকারিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকা বেড়েছে। আর ভারতীয় আদার দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে। তবে দেশি আদার দাম একই আছে।

এছাড়া হল্যান্ড আলু,শুকনা মরিচের পাইকারি দাম বেড়েছে। তবে পেঁয়াজ ও শুকনো হলুদের দাম স্থিতিশীল আছে। আর সবজির মধ্যে হাইব্রিড করলা ও ঢেঁড়সের দাম বেড়েছে, চিচিঙ্গার দাম স্থিতিশীল আছে এবং শসার দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। 

আড়তদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের কারণে স্থানীয় বাজার থেকে মালামাল আসছে না। অন্যদিকে ক্রেতাও কম। তাই তারা মালামালের দাম কিছুটা বাড়িয়ে দিয়ে বিক্রি করছেন।

আদার এক আড়তদার জানান, চীনা আদা প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, ভারতীয় আদা ১২০ থেকে  ১৩০ টাকা, দেশি আদা ২০০ থেকে ২২০ টাকায় পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। রোজার মাসে চীনা  আদা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, ভারতীয় ৮০ থেকে ৯০ টাকা এবং দেশি আদা ১৯০ থেকে ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। 
সে হিসাবে পাইকারিভাবেই চীনা আদা কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা বেড়েছে, ভারতীয় আদা ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে এবং দেশি আদার দাম প্রায় একই আছে। 

আদার বাড়তি দামের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাজারে এখান চীনা ও ভারতীয় আদা নতুন করে আসছে না। ঈদের ছুটির পর ব্যাংক চালু হলে তখন ভারত ও চীন থেকে আদা আমদানি শুরু হলে দাম স্বাভাবিক হতে পারে। আর আমদানি কম হলে এই দামই থাকতে পারে। আমদানি বেশি হলে দাম কমে যাবে।’

এক রসুন বিক্রেতা জানান, ঈদের পর রসুনের দামে খুব একটা হেরফের হয়নি। চীনা রসুন এখন ১০৫ থেকে ১১০ টাকা এবং দেশি রসুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। রমজানেও প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া পেঁয়াজের এক আড়তদার বলেন, ‘তিনি দেশি পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি করছেন কেজিতে ২২ থেকে  ২৩ টাকা। রমজানেও প্রায় একই দামে বিক্রি করেছেন।’

হল্যান্ড আলুর এক আড়তদার জানান, এক পাল্লা (৫ কেজি) আলু ৮০ টাকায় বিক্রি করছেন। রোজার সময় তিনি প্রতি পাল্লা ৭০ টাকা করে বিক্রি করেছেন। 

অন্যদিকে বাজারে শুকনো মরিচ ভালোটা ২০০ টাকা কেজি এবং একটু নিম্নমানেরটা ১৮০ টাকা কেজিতে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। আর রোজার সময় ভালোটা বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকায়। শুকনো হলুদ ভালোটা ২০০ টাকা এবং একটু নিম্নমানেরটা ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। 

এদিকে হাইব্রিড করলা কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, যা রমজানে ছিল ১২ থেকে ১৪ টাকা কেজি। চিচিঙ্গা রমজানের মতই ১৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর রমজানে ঢেঁড়স ছিল ১৫ টাকা, এখন ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ১০ টাকা কেজিতে শসা বিক্রি হচ্ছে। রমজানে যার দাম ছিল ২০ টাকা কেজি।

মূলত খুচরা বিক্রেতারা এসব আড়তদারদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে এগুলো আরও বেশি দামে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন।

ওডি/টিএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড