• বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬  |   ৩৫ °সে
  • বেটা ভার্সন

গ্রামীণফোনের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৮০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

  অর্থনীতি ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:২১
গ্রামীণফোন
গ্রামীণফোনের ২২তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৮০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে। 

রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) গ্রামীণফোন লিমিটেডের ২২তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তারা এই ঘোষণা দেয়।   

কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০১৮ সালে চূড়ান্ত লভ্যাংশ ১৫৫ শতাংশ এবং ১২৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশের অনুমোদন দিয়েছে।

২০১৮ সালে সর্বমোট লভ্যাংশ দাঁড়িয়েছে পরিশোধিত মূলধনের ২৮০ শতাংশ; যা শেয়ার প্রতি ২৮ টাকা করে। প্রতিষ্ঠানটি ফাস্ট-ট্র্যাক অনলাইন পদ্ধতিতে লভ্যাংশ বন্টন করবে বলে জানিয়েছে।    

বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান পিটার বি ফারবার্গ এবং গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ফোলিসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। এবারের প্রতিষ্ঠানটির কোম্পানি সেক্রেটারি এস. এম. ইমদাদুল হক বার্ষিক সাধারণ সভা পরিচালনা করেন।

বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি গ্রামীণফোনের প্রতি আস্থা রাখায় শেয়ারহোল্ডারদের ধন্যবাদ দেন। গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং এর ফলে ব্যবসায় কেমন প্রভাব পড়তে পারে সেসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা ও আর্থিক কর্মক্ষমতার পাশাপাশি ফোরজি সফলতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। 

সভায় পিটার বি. ফারবার্গ বলেন, গ্রামীণফোন মনে করে, প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত যেকোনো নীতিমালা বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা আইন এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত পদ্ধতি অনুযায়ী হওয়া উচিত। এতে   করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট খাতের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি গতিশীল হবে। এসএমপি নীতিমালা এমন হওয়া উচিত নয় যার কারণে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের সুযোগ কমে যায়।

সম্প্রতি অডিটের মাধ্যমে গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি  টাকা পাওনার বিষয়ে  গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান ‘এ ধরনের দাবি আইনগতভাবে ভিত্তিহীন’ হিসেবে গণ্য করে। এ দাবি প্রত্যাহার করে সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনায় বসতে বিটিআরসির প্রতি  আবেদন জানান তিনি। 

সভায় পরিচালকবৃন্দের প্রতিবেদন, নিরীক্ষকের প্রতিবেদন, কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণ ২০১৮, পরিচালকবৃন্দের নির্বাচন ও বিধিবদ্ধ নিরীক্ষক এবং কর্পোরেট গভর্নেন্স কমপ্লাইয়েন্স নিরীক্ষক নিয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

২০০৯ সালের পর এটি ছিল গ্রামীণফোনের দশম এজিএম। 

ওডি/টিএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড