• শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯, ৭ বৈশাখ ১৪২৬  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জাতিসংঘের চার সংস্থার ৪২১ কোটি টাকার অনুদান

  অধিকার ডেস্ক    ২১ মার্চ ২০১৯, ১৬:০৯

রোহিঙ্গা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে জাতিসংঘের চুক্তি (ছবি: সংগৃহীত)

রোহিঙ্গাদের আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য জাতিসংঘের চার সংস্থা প্রায় ৪২১ কোটি ১৫ লাখ বা ৫ কোটি ডলার সহায়তা প্রদান করবে। এজন্য চারটি সংস্থার সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) ইউনিসেফ,ডাব্লিউএইচও, ইউএনএফপিও, আইওএম’র সঙ্গে এই চুক্তি হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসময় উপস্থিত ছিলেন।

জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ অ্যাডওয়ার্ড বিগবেদার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) বাংলাদেশের প্রতিনিধি বার্দান জাং রানা, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) প্রতিনিধি আশা টোরকেলসন, জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মিশন প্রধান জিওর্জি গিগৌরী এবং বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সাহায্য সহযোগিতার জন্য বিশ্বব্যাংক ইতোমধ্যেই ২০০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। তারা আরও অর্থ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আজকেই আমরা ৫০ মিলিয়ন (৫ কোটি) ডলার পাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ এই পাঁচ কোটি ডলারের মধ্যে ৩৫ মিলিয়ন ডলার চারটি সংস্থা- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিও, আইওএম’র নিজেরা রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় করবে। আর রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ১৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হবে। সে অর্থ রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতার জন্য ব্যয় হবে। বাংলাদেশ সরকার তাদের চিকিৎসার জন্য, থাকার জন্য, তাদের ঘরবাড়ি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজ, যা রোহিঙ্গাদের জন্য করে যাচ্ছে, সে খাতে ব্যয় করবে।’

‘ আমরা রোহিঙ্গাদের করুণ অবস্থায় পেয়েছি। তারা শিক্ষা ও চিকিৎসা বঞ্চিত ছিল, শারীরিকভাবে নির্যাতিত হয়েছে। মা ও শিশুরা বেশি নির্যাতিত। সেখানে তো সাড়ে ৩ লাখ শুধু শিশুই রয়েছে। এখন বাংলাদেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা রয়েছে। তাদের সাহায্য-সহযোগিতা আমরা করে যাচ্ছি। জাতিসংঘের বিভিন্ন বডিও সাহায্য করে যাচ্ছে-যোগ করেন মন্ত্রী।’

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে,সেখানে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গারা থাকতে পারবেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ক্লিনিক তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য মন্ত্রণালয়ও অন্যান্য কাজগুলো করে যাচ্ছে। আমরা রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছি। আমরা চাই, তারা অতি শিগগিরই তাদের দেশে ফিরে যাক। আমাদের সেই চেষ্টা থাকবে।’

ওডি/টিএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড