• বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ২ বৈশাখ ১৪২৮  |   ৩১ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আদমদীঘি ও সান্তাহারে সজনের বাম্পার ফলন, বাড়ছে চাষাবাদ

  নেহাল আহম্মেদ প্রান্ত, আদমদীঘি (বগুড়া)

০২ এপ্রিল ২০২১, ১২:৫৬
সান্তাহার স্টেশনে সজনে ব্যবসায়ী
সান্তাহার স্টেশনে সজনে ব্যবসায়ী। (ছবি : দৈনিক অধিকার)

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদর ও সান্তাহারে প্রতিবারের মতো এবারও সজনের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া এবং প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হওয়ায় গত কয়েক বছরের চেয়ে এবার সজনে উৎপাদন অনেক বেশি।

স্থানীয় ও দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে সজনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মুখরোচক ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই সবজি স্থানীয়ভাবে বিক্রির পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানি করা হয়। বাজারে অন্য সবজির চেয়ে সজনের দাম একটু বেশি। তবে বাম্পার ফলনে গতবারের চেয়ে দাম একটু কমেছে।

সান্তাহারে প্রতি মণ সজনে পাইকারি দরে ১২০০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। যা রপ্তানি হচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

সান্তাহার স্টেশনে রানীনগর বালুঘড়া এলাকার সজনে ব্যবসায়ী আব্দুল কালাম জানান, অন্য এলাকার থেকে সান্তাহারে সজনে চাষ বেশি হয়, তিনি সান্তাহার থেকে পাইকারি দরে সজনে ক্রয় করে ঢাকায় নিয়ে বিক্রি করেন। সান্তাহারের সজনে পুরো বাংলাদেশের মধ্যে বিখ্যাত।

সজনে প্রধানত দুই প্রজাতির। এর মধ্যে এক প্রজাতির সজনে বছরে তিন থেকে চার বার পাওয়া যায়। স্থানীয়ভাবে এর নাম রাইখজ্ঞন।

সজনে গাছ যেকোনো পতিত জমি, পুকুর পাড়, রাস্তার বা বাঁধের ধারে আঙ্গিনা এমনকি শহর বন্দরের যেকোনো ফাঁকা জায়গায় লাগানো যায়। এর কোনো বীজ বা চারার প্রয়োজন হয় না। গাছের ডাল কেটে মাটিতে পুতে রাখলেই সজনে গাছ জম্মায়। সজনে গাছের কোন পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠে এ গাছ। বড়-মাঝারি ধরনের একটি গাছে ছয় থেকে আট মণ পর্যন্ত সজনে পাওয়া যায়।

বিনা খরচে অধিক আয় হওয়ায় অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে সজনে চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। বিশেষ করে আদমদীঘি উপজেলার মাটি, পানি ও আবহাওয়া সজনে চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় উপজেলা সদর ও সান্তাহার পৌর শহর এবং এর আশেপাশে প্রচুর সজনে গাছ দেখা যায়। এসব গাছ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার টন সজনে উৎপাদন হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিঠু চন্দ্র অধিকারী জানান, এই উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া সজনে চাষে উপযোগী। এখানে বাণিজ্যিকভাবে সজনে চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। ফলে অনেকে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু বাগানের মত এখন সজনের বাগান করতে শুরু করেছেন।

প্রসঙ্গত, অন্যান্য সবজির চেয়ে সজনে ডাটার পুষ্টিগুণ বেশি হওয়ায় যে কোনো বয়সের মানুষ সজনে খেতে ভালোবাসেন।

ওডি/জেআই

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড