• শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২০, ২১ চৈত্র ১৪২৬  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

দাম কমেছে পেঁয়াজের

  অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক

২১ মার্চ ২০২০, ১৩:৪৯
পেঁয়াজ
ছবি : পেঁয়াজ

রাজধানীর বাজারগুলোতে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানের পর কিছুটা কমেছে পেঁয়াজের দাম। 

শনিবার (২১ মার্চ) রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, হাজীপাড়া, খিলগাঁও ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা করোনা ভাইরাস আতঙ্ককে পুঁজি করে ২ দিনের ব্যবধানে শুক্রবার (২০ মার্চ) পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ করে ফেলেন। এক লাফে ৪০ টাকার পেঁয়াজ হয়ে যায় ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। 

এ প্রেক্ষিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কারওয়ান বাজারে অভিযান চালান। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে জারিমানাও করা হয়। এই অভিযানের পর আজ (শনিবার) সকালেই পেঁয়াজের দাম অনেকটা কমে যায়।

তবে দোকানভেদে পেঁয়াজের দামের ভিন্নতা দেখা যায়। একই মানের পেঁয়াজ একেক ব্যবসায়ী একেক দাম রাখছেন। অবশ্য গতকালের তুলনায় কম দামেই বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। 

রামপুরার বৌ বাজারের এক ব্যবসায়ী জানান, গতকাল ৭৫ টাকা প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন। আর আজ ২৫ টাকা কমে ৫০ টাকা করে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। কারণ আজ আড়ত থেকে কম দামে পেঁয়াজ আনতে পেরেছেন। 

অন্যদিকে একই বাজারের আরেক ব্যবসায়ীকে ৬০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করতে দেখা গেছে। গতকাল ৮০ টাকা কেজি বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানের পর পেঁয়াজের দাম অনেকটা কমেছে আড়তে। তাই ২০ টাকা কমে বিক্রি করতে পারছেন। 

এ দিকে গতকাল সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষই বেশি করে পেঁয়াজ কিনেছেন। আজ চাহিদা কম থাকাতে পেঁয়াজের দাম কমেছে। মানুষ যদি হুমড়ি খেয়ে পেঁয়াজ কিনতে না যায়, তাহলে পেঁয়াজের দাম আরও কমতে পারে। 

পেঁয়াজের দাম কমলেও আদা, আলু ও রসুন আগের দিনের মতো বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। বুধবার বাজারে প্রতিকেজি দেশি রসুন ৭০-৮০ টাকা, আমদানি করা রসুন ১৪০-১৫০ টাকা, আদা ১০০-১২০ টাকা ও আলু ১৮-২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অথচ ২ দিনের ব্যবধানে প্রতিকেজি দেশি রসুন ১২০-১৩০ টাকা, আমদানি করা রসুন ১৮০-১৯০ টাকা, আদা ১৭০-১৮০ টাকা ও আলু ২৫-২৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

আরও পড়ুন : করোনার জন্য ঋণগ্রহীতাদের বিশেষ ছাড়

তবে সবজির বাজার কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিকেজি শশা ২০-৩০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, করলা ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা, পাকা টমেটো ২০-৪০ টাকা, শিম ৪০-৫০ টাকা, গাজর ৩০-৩৫ টাকা, শালগম ২৫-৩০ টাকা, মুলা ১৫-২০ টাকা, বেগুন ৩০-৪০ টাকা, পটল ৪০-৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০-১০০ টাকা এবং প্রতিপিস লাউ ৪০-৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। 

রাজধানীর বাজারগুলোতে আগের মতোই সবজির গাড়ি আসছে। যেহেতু সবজি মজুদ করা যায় না, তাই সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে সবজির পরিবহন যদি বন্ধ হয়ে যায়, তখন দাম বাড়বে সবজির। এছাড়া দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। 

ওডি/এওয়াইআর 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড