• বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

বাংলাদেশকে ব্লাঙ্ক চেক দিয়ে যত খুশি টাকা নিতে বলল বিশ্বব্যাংক

অর্থমন্ত্রী
শেরেবাংলা নগরে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে মার্সি টেম্বনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ (ছবি : সংগৃহীত)

দুর্নীতির অভিযোগ এনে পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন করা থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশের সঙ্গে সেই বিশ্বব্যাংকের আচরণে আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। সংস্থাটি এবার বাংলাদেশ ফাঁকা চেক (ব্লাঙ্ক চেক) দিয়ে যত খুশি টাকার অঙ্ক বসাতে বলেছে।

এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ‘ব্লাঙ্ক চেক’ দিয়েছে। তারা বলেছে, তোমাদের প্রয়োজন মতো টাকার অঙ্ক লিখে নাও। বাংলাদেশে অর্থায়নের ক্ষেত্রে আর কোনো লুকোচুরি থাকবে না।

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নিজ কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর (বাংলাদেশ-ভুটান) মার্সি টেম্বনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে প্রকল্প তৈরি ও অর্থায়নে প্রস্তুত। আমাদের যত অর্থেরই প্রয়োজন হোক তারা তা দিতে প্রস্তুত। আমরা সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে কাজে লাগাতে বিশ্বব্যাংকের পরামর্শও নেব।

দেশে ৮৮ শতাংশ ব্লু ইকোনমি (সমুদ্র অর্থনীতি) কাজে লাগানোর সুযোগ আছে। সংস্থাটি এ খাতে কাজ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

ডেল্টা প্ল্যানের বিষয়ে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, নেদারল্যান্ডসের পাশাপাশি ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক পাশে থাকবে। এ খাতে অর্থ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা দেবে তারা। ফলে ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত হবে। ডেল্টা প্ল্যানে ভারত আসতে চাইলে স্বাগত জানাব।

সড়ক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় সব ধরনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দেবে। বাংলাদেশের সড়ক উন্নয়নে যত টাকার প্রয়োজন তত টাকা দেবে সংস্থাটি। সড়কে বাস-বে (যাত্রী ওঠা-নামার জায়গা বা স্টপেজ), সড়কের পাশে চালকদের জন্য বিশ্রামাগারসহ নানা উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। এসব দেখে প্রশংসা করেছে বিশ্বব্যাংক।

নতুন আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ১৪ অক্টোবর ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ সভায় নতুন প্যাকেজ ঘোষণা করবে সংস্থাটি। বাংলাদেশের বিষয়ে সংস্থাটির ইতিবাচক ধারণা হয়েছে। আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সংস্থাটি অর্থায়ন করতে উন্মুখ।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, ‘আমি বাংলাদেশকে নিজেই চিনে নিয়েছি। সুন্দরবন ছাড়া বাংলাদেশের সব স্থানে ঘুরেছি। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত সুবিধাসহ আর্থিক বিষয়ে ব্যাপক উন্নত হয়েছে। তিনি বলেন, নদী, পানি ও ব্লু ইকোনমিতে বাংলাদেশকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। মূলত আমি বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে ব্র্যান্ডিং করতে এসেছি। ব্লু-ইকোনমির ৮৮ শতাংশ কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

ওডি/এমআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড