• মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬  |   ৩৫ °সে
  • বেটা ভার্সন

মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ: স্ট্যানচার্টের গবেষণা

  অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক

১৫ মে ২০১৯, ১৭:২৪
মাথাপিছু আয়
ছবি : সংগৃহীত

বহুজাতিক ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের এক গবেষণায় উঠে এসেছে, আগামী এক দশকে মাথাপিছু আয়ের হিসাবে বাংলাদেশ ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে। বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৬০০ ডলার। ২০৩০ সালে এই আয় দাঁড়াবে ৫ হাজার ৭০০ ডলার।

অন্যদিকে একই সময়ে ভারতে মাথাপিছু আয় হবে ৫ হাজার ৪০০ ডলার। যদিও বর্তমানে বাংলাদেশের চেয়ে ভারতের মাথাপিছু আয় বেশি। ২০১৮ সালে ভারতে মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৯০০ ডলার।

ব্যাংকটির প্রতিবেদনে এমন চিত্রই ওঠে এসেছে। গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন স্ট্যানচার্টের ভারতভিত্তিক গবেষণা শাখার প্রধান মাধুর ঝা এবং সারা বিশ্বে ব্যাংকটির প্রধান অর্থনীতিবিদ ডেভিড ম্যান।

সেখানে বলা হয়েছে, অর্থনীতির বিচারে আগামী দশক এশিয়ার দখলে থাকবে এবং এই দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান হবে খুবই উল্লেখযোগ্য। আগামী দশকে শীর্ষ ৭ অর্থনীতির দেশের মধ্যে থাকবে এশিয়ার ৫টি দেশ- বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন। এই পাঁচ দেশের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশে স্থিতিশীল থাকবে। 

গবেষণা বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে সবচেয়ে বেশি।  যা হওয়ার কারণ হচ্ছে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশই হবে এসব দেশের মানুষ। ভারতের জন্য এই বিশাল জনসংখ্যা আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের বিনিয়োগ থেকে সুফল পেতে শুরু করবে, যা তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করবে। 
 
গবেষণায় আরও উঠে এসেছে , বাংলাদেশিরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতীয়দের চেয়ে আর্থিকভাবে স্থিতিশীল অবস্থায় থাকবে। ভারতে এ সময় মাথাপিছু আয় ৫ হাজার  ৪০০ ডলারে গিয়ে দাঁড়াবে। আর বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় আরও ৩০০ ডলার বেড়ে ৫ হাজার ৭০০ ডলারে গিয়ে দাঁড়াবে। মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে ভিয়েতনামে সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি ঘটবে। ২০৩০ সালে দেশটির মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ১০ হাজার ৪০০ ডলার। গত বছর এই আয় ছিল ২ হাজার ৫০০ ডলার। আর মিয়ানমারে বর্তমানে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৩০০ ডলার এবং ২০৩০ সালে তাদের এই আয় দাঁড়াবে ৪ হাজার ৮০০ ডলার। 

গবেষক মাধুর ঝা এবং ডেভিড ম্যান বলছেন, দ্রুত দেশগুলোতে এই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে অপরাধ, আয়ের বৈষম্য, দূষণ এসব ব্যাপারেও ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। দ্রুত  এই প্রবৃদ্ধির ফলে দারিদ্র্যতার সঙ্গে সঙ্গে দেশগুলোর স্বাস্থ্য ও শিক্ষাতেও ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। আর মানুষের আয় বেড়ে যাওয়ায় সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাও কমে আসবে। অনেক ধরনের সংস্কারের কাজও সহজ হয়ে পড়বে। 
 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড