• শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ৮ চৈত্র ১৪২৫  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন

সীমান্ত বাণিজ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ

  অধিকার ডেস্ক    ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:০০

বাণিজ্য
সীমান্ত বাণিজ্য (ছবি:সংগৃহীত)

সীমান্ত বাণিজ্যে তথা আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যে সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে  পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংকের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, গত দশ বছরে বাংলাদেশে অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হলেও সেবা সহজ করার ক্ষেত্রে  নজর দেওয়া হয়নি।   

তবে বাণিজ্যমন্ত্রী এবার এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের রপ্তানির সময় সীমান্তে গড়ে খরচ হয় ৪০৮ টাকা। অন্যদিকে, ভারতের ২৫১, মালয়েশিয়ার ২১৩ টাকা ব্যয় হয়। আর ভিয়েতনাম আর কম্বোডিয়ান ব্যবসায়ীদেরও  বাংলাদেশের চেয়ে খরচ কম। এছাড়া বিশ্বব্যাংকের বিদেশি বাণিজ্যের প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান সবার পেছনে। অথচ, গত ১০ বছরে এ অঞ্চলে সড়ক মহাসড়কের উন্নয়নে বাংলাদেশই সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে। 

এ প্রসঙ্গে সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম উন্নত অবকাঠামো চেয়ে বন্দর ব্যবস্থাপনকে বেশি গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, শুধু উন্নত অবকাঠামো ব্যবহার করে ব্যবসার ব্যয় কমিয়ে আনা সম্ভব না। বন্দর অব্যবস্থাপনার কারণে একজন রপ্তানিকারককে যদি বন্দরে ৭/৮দিন অপেক্ষা করতে হয়, তবে উন্নত অবকাঠামো তার কোনো কাজে আসবে না। 

তবে এফবিসিসিআই সভাপতির দাবি,প্রকৃত অবস্থা ততটা শোচনীয় নয়। এফবিসিসিআই’র সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দীন বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের সকল তথ্যই সঠিক নয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রে যে অভিযোগ তুলেছিল সেটি কি সত্যি ছিল? তাই আমাদের দেখতে হবে তথ্যটি কতটা সত্যের কাছাকাছি।  

অন্যদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, আমি ভারতীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। খুব শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসবো। আশা করছি, আমরা এ অবস্থার উন্নতি করতে পারব। 

মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি এছাড়াও ব্যবসা সহজ করতে কাজ করছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড