• শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০  |   ২৪ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ইদের পরও কমেনি ব্রয়লার মুরগির দাম

আলু-পেঁয়াজের বাজারে আগুন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ এপ্রিল ২০২৩, ১৩:১৪
ইদের পরও কমেনি ব্রয়লার মুরগির দাম
ব্রয়লার মুরগির বাজার (ছবি : সংগৃহীত)

পবিত্র ইদুল ফিতরের আগে বেড়ে যাওয়া ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস ও চিনির দাম এখনো কমেনি। বরং ইদের পরের কয়েক দিনে নতুন করে আলু ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে নানা পদের সবজির দামও।

আজ শুক্রবার রাজধানীর বেশকিছু বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

এখন বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৬০ টাকা দরে। যা ইদের আগে বেড়েছিল। এর মধ্যে কয়েকদিন ৫-১০ টাকা ওঠানামা করেছে, তবে মোটা দাগে দাম এখনো আগের মতো বাড়তি রয়েছে।

এ দিকে ইদের এক সপ্তাহ আগে গরুর মাংসের দাম সাড়ে ৭০০ থেকে বেড়ে ৮০০ টাকায় ঠেকেছে। এখন চাহিদা কমলেও কমেনি দাম। বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।

রামপুরা বাজারে আল্লাহ’র দান গোস্ত বিতানের শের আলী বলেন, এ দেশে একবার কিছু বাড়লে আর কমানো যায় না। খরচ আর কমে না। এখনো ঈদের আগের মতো গরুর দাম রয়েছে। কমলে আমরাও কমিয়ে বিক্রি করবো।

অপর দিকে ইদের আগে থেকে চলমান চিনির সংকট এখনো কাটেনি। চাহিদা স্বাভাবিক হয়ে এলেও এখনো সরকার নির্ধারিত থেকে বেশি দামেও কিনতে হচ্ছে পণ্যটি। যেসব দোকানে খোলা চিনি পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায়।

যদিও ৬ এপ্রিল সরকার প্যাকেট চিনির কেজি ১০৯ টাকা, আর খোলা চিনির কেজি ১০৪ টাকা ঠিক করে দিয়েছিল। দাম প্রসঙ্গে খুচরা দোকানিরা জানিয়েছেন, ইদের আগ থেকে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন পরিবেশকরা। এখন (ইদের পর) অন্যান্য পণ্যের অর্ডার নিলেও চিনির কোনো খবর জানাচ্ছেন না। বেশিরভাগ দোকানে যে চিনি বিক্রি হচ্ছে তা ইদের আগে কেনা।

আবার চিনি কিনতে হলে দোকানদারকে বাধ্যতামূলক আরও কয়েকটি পণ্য কেনার শর্ত জুড়ে দিচ্ছেন পরিবেশকরা এমনটিও জানিয়েছেন মালিবাগ বাজারের কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা।

অন্য দিকে ইদের পরে মান ভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। পাইকারি বাজারে বিক্রি হয় ৩৬ থেকে ৪২ টাকা কেজি দরে। আর আলুর দাম ৫-৭ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা কেজিতে।

আলু পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইদ শেষে আমদানি ও পাইকারি বাজারের কার্যক্রম স্বাভাবিক না হওয়ায় আড়তে মালের সংকট রয়েছে। আবার সব দোকান না খোলায় পাইকারও কম। সে জন্য পণ্যের দাম বাড়ছে।

যদিও আমদানি পর্যায়ে কোনো সমস্যা নেই বলেও তারা জানিয়েছেন। অপর দিকে উৎপাদন ভালো থাকায় আগামী কুরবানির ইদসহ পরবর্তী সময় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকলেও বাজারে কোনো সমস্যা হবে না বলে দাবি করা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে।

এ দিকে সবজির বাজারে এখনো আলু পেঁপে ছাড়া ৬০ টাকার নিচে কিছু মিলছে না।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

নির্বাহী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118243, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড